বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশকে যারা উপনিবেশ বা তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী ওলামা দল প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে’ আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মাওলানা গাজী মো. সেলিম রেজা।
রিজভী বলেন, ‘এই দেশে দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী শক্তির কোনো অবস্থান নেই। যারা বাংলাদেশকে উপনিবেশ করতে চায়, যারা বাংলাদেশকে একটি তাবেদার রাষ্ট্র করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে রাস্তায় রাস্তায়, মোড়ে মোড়ে, পথে প্রান্তরে কঠিন বেরিকেড গড়ে তুলবে বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী ওলামা দল।’
রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের তিন প্রজন্মের যে ধারাবাহিকতা, সেটার তিন নম্বর প্রতিনিধি। তার বাবা ১৯৮০ সালে বক্তৃতা করেছেন, তার মা ১৯৯২ সালে বক্তৃতা করেছেন। আজকে তাদেরই জ্যেষ্ঠ পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেখানে বক্তব্য রেখেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, অস্ত্রের পরিবর্তে যুক্তিতর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতাকে পরিবর্তনের হাতিয়ার করার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
রিজভী আরও বলেন, তারেক রহমান স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বিশ্বের মানুষ শান্তি চায়, যুদ্ধ চায় না। যুদ্ধ হলে খাদ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ে। শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে মানুষ বেকার হয়। যারা আগুন দিয়ে গাড়ি পুড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল প্রতিবাদ করছে।
রিজভী দাবি করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। জনগণের জন্য ও সামাজিক সুরক্ষায় সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে’ আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মাওলানা গাজী মো. সেলিম রেজা।
রিজভী বলেন, ‘এই দেশে দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী শক্তির কোনো অবস্থান নেই। যারা বাংলাদেশকে উপনিবেশ করতে চায়, যারা বাংলাদেশকে একটি তাবেদার রাষ্ট্র করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে রাস্তায় রাস্তায়, মোড়ে মোড়ে, পথে প্রান্তরে কঠিন বেরিকেড গড়ে তুলবে বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী ওলামা দল।’
রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের তিন প্রজন্মের যে ধারাবাহিকতা, সেটার তিন নম্বর প্রতিনিধি। তার বাবা ১৯৮০ সালে বক্তৃতা করেছেন, তার মা ১৯৯২ সালে বক্তৃতা করেছেন। আজকে তাদেরই জ্যেষ্ঠ পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেখানে বক্তব্য রেখেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, অস্ত্রের পরিবর্তে যুক্তিতর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতাকে পরিবর্তনের হাতিয়ার করার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
রিজভী আরও বলেন, তারেক রহমান স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বিশ্বের মানুষ শান্তি চায়, যুদ্ধ চায় না। যুদ্ধ হলে খাদ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ে। শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে মানুষ বেকার হয়। যারা আগুন দিয়ে গাড়ি পুড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল প্রতিবাদ করছে।
রিজভী দাবি করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। জনগণের জন্য ও সামাজিক সুরক্ষায় সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচকে/এসকে