চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল লঞ্চঘাট এলাকায় মেঘনা নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ‘জলবিলাস’ নামের একটি হোটেল এবং নির্মাণাধীন আরেকটি রিসোর্ট বা হোটেলের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চাঁদপুর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি দল এই নির্দেশ দেয়। পরিদর্শন দলে ছিলেন কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান ও পরিদর্শক শরমিতা আহমেদ লিয়াসহ অন্য কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে ‘জলবিলাস’ এবং নির্মাণাধীন ‘হাওয়া বদল’ নামের রিসোর্ট দুটির মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, নদী তীরে অবৈধ হোটেল পরিচালনা ও নতুন স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। তিনি জানান, হোটেল দুটির মালিকেরা পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নেননি। যদিও তাদের দাবি, সম্পত্তিটি তাদের নিজস্ব। এরপরও উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত তাদের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ আগস্ট মেঘনা নদীর তীর ও তীরবর্তী সরকারি জায়গা দখল করে হোটেল নির্মাণের খবর সংবাদমাধ্যমে দেখার পর স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন চাঁদপুরের মতলব আমলি আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নসরুল্লাহ। একই সঙ্গে ওই এলাকায় গড়ে ওঠা স্থাপনার সংখ্যা, নির্মাণকাজে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না–এসব বিষয় তদন্ত করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য মতলব উত্তর উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দেওয়া হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চাঁদপুর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের একটি দল এই নির্দেশ দেয়। পরিদর্শন দলে ছিলেন কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান ও পরিদর্শক শরমিতা আহমেদ লিয়াসহ অন্য কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে ‘জলবিলাস’ এবং নির্মাণাধীন ‘হাওয়া বদল’ নামের রিসোর্ট দুটির মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, নদী তীরে অবৈধ হোটেল পরিচালনা ও নতুন স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। তিনি জানান, হোটেল দুটির মালিকেরা পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নেননি। যদিও তাদের দাবি, সম্পত্তিটি তাদের নিজস্ব। এরপরও উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত তাদের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ আগস্ট মেঘনা নদীর তীর ও তীরবর্তী সরকারি জায়গা দখল করে হোটেল নির্মাণের খবর সংবাদমাধ্যমে দেখার পর স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন চাঁদপুরের মতলব আমলি আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. নসরুল্লাহ। একই সঙ্গে ওই এলাকায় গড়ে ওঠা স্থাপনার সংখ্যা, নির্মাণকাজে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না–এসব বিষয় তদন্ত করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য মতলব উত্তর উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দেওয়া হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে