এশিয়ান গেমসের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক শতক হাঁকিয়েছেন ভারতের ওপেনার শেফালি ভার্মা। মাত্র ৪৯ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাতে ১৯৫ রানের বড় সংগ্রহ পায় ভারত বিশাল এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জয় তো দূরের কথা শেফালির রানও তুলতে পারল না নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ১৫ ওভার ৪ বলে মাত্র ৮১ রানেই গুটিয়ে গেছে টাইগ্রেসরা। তাতে দেখতে হয়েছে ১১৪ রানের বিশাল হার। ফাইনালে স্বর্ণের লড়াইয়ে তাই শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে ভারত। যেন এই এশিয়া কাপেরই চিত্রনাট্য।
নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ২৮ বলে ৫০ রান তুলে নেয় ভারত। ১৯ বলে ৩৭ রান করে মান্ধানা বিদায় নিলেও শেফালি চালিয়ে যান বিধ্বংসী ব্যাটিং।
মাত্র ২৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন শেফালি। এরপর আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন ভারতের এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৯টি ছক্কা। ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৯৫ রান সংগ্রহ করে ভারত।
শেফালিকে দারুণ সঙ্গ দেন অধিনায়ক হারমানপ্রিত কৌর। তৃতীয় উইকেটে শেফালির সঙ্গে ৩৬ বলে ৯৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। ৩৩ বলে ৪০ রান করে ফেরেন হারমানপ্রিত। বাংলাদেশের হয়ে মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খান ও নাহিদা আক্তার একটি করে উইকেট নেন।
১৯৬ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই জুইরিয়া ফেরদৌস কোনো রান না করে বিদায় নেন। ৯ রানের মধ্যে দ্বিতীয় উইকেটও হারায় বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লে শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৯ রান।
এরপরও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দিলারা আক্তার ২৩ বলে ২৭ রান করে দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন। অধিনায়ক নিগার সুলতানা করেন ৯ রান। শারমিন আক্তার ২০ বলে ১০ এবং সুলতানা খাতুন ৮ বলে অপরাজিত ১২ রান করেন। শেষ দিকে সুলতানার ছোট্ট ঝোড়ো ইনিংস ছাড়া বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে আর কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধ দেখা যায়নি।
ভারতের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন নন্দিনী শর্মা ও দীপ্তি শর্মা। দুজনেই ৩টি করে উইকেট নেন। শ্রী চরাণি ৩ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। ক্রান্তি গৌড় ও শ্রেয়াঙ্কা পাটিল পান একটি করে উইকেট।
শেষ পর্যন্ত ১৫.৪ ওভারে ৮১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে ১১৪ রানের বড় জয় নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় ভারত। ফাইনালে স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে ভারতের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ২৮ বলে ৫০ রান তুলে নেয় ভারত। ১৯ বলে ৩৭ রান করে মান্ধানা বিদায় নিলেও শেফালি চালিয়ে যান বিধ্বংসী ব্যাটিং।
মাত্র ২৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন শেফালি। এরপর আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন ভারতের এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৯টি ছক্কা। ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৯৫ রান সংগ্রহ করে ভারত।
শেফালিকে দারুণ সঙ্গ দেন অধিনায়ক হারমানপ্রিত কৌর। তৃতীয় উইকেটে শেফালির সঙ্গে ৩৬ বলে ৯৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। ৩৩ বলে ৪০ রান করে ফেরেন হারমানপ্রিত। বাংলাদেশের হয়ে মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খান ও নাহিদা আক্তার একটি করে উইকেট নেন।
১৯৬ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই জুইরিয়া ফেরদৌস কোনো রান না করে বিদায় নেন। ৯ রানের মধ্যে দ্বিতীয় উইকেটও হারায় বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লে শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৯ রান।
এরপরও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দিলারা আক্তার ২৩ বলে ২৭ রান করে দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন। অধিনায়ক নিগার সুলতানা করেন ৯ রান। শারমিন আক্তার ২০ বলে ১০ এবং সুলতানা খাতুন ৮ বলে অপরাজিত ১২ রান করেন। শেষ দিকে সুলতানার ছোট্ট ঝোড়ো ইনিংস ছাড়া বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে আর কোনো উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধ দেখা যায়নি।
ভারতের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন নন্দিনী শর্মা ও দীপ্তি শর্মা। দুজনেই ৩টি করে উইকেট নেন। শ্রী চরাণি ৩ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। ক্রান্তি গৌড় ও শ্রেয়াঙ্কা পাটিল পান একটি করে উইকেট।
শেষ পর্যন্ত ১৫.৪ ওভারে ৮১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে ১১৪ রানের বড় জয় নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় ভারত। ফাইনালে স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে ভারতের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে