সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা জারির পর দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথিদের সঙ্গে সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার মধ্যেই সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটছে।
এএফপির সাংবাদিকদের বরাতে জানা গেছে, ভোর ৩টার কিছু আগে রিয়াদের বাসিন্দাদের মোবাইলে একটি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় জানানো হয়, ওই এলাকা শত্রুপক্ষের আকাশপথের হুমকির মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সতর্কবার্তা পাওয়ার কিছুক্ষণ পরই দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান এএফপির সাংবাদিকেরা। প্রায় ৩০ মিনিট পর সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয়।
গত জুলাইয়ে ইয়েমেনে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর এবারই প্রথম সৌদি রাজধানী রিয়াদ এ ধরনের সরাসরি বিমান হামলার সতর্কতার আওতায় পড়ল।
হুথিরা ইয়েমেনের জনবহুল অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। চলতি মাসে দেশটির পুরো লোহিত সাগর উপকূল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার লক্ষ্যে তারা অভিযান জোরদার করেছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপরও তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি আরবের জন্য বাব আল-মান্দেব একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে সৌদি আরবের জন্য এই নৌপথের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমুদ্র অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে তাদের দাবি, সৌদি আরবের জাহাজ ছাড়া অন্যান্য জাহাজের চলাচলের জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালি উন্মুক্ত ও নিরাপদ রয়েছে।
সামুদ্রিক পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই থেকে বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি কমেছে। তবে গত এক সপ্তাহে পাঁচটি তেলবাহী জাহাজ এই নৌপথ ব্যবহার করেছে।
এদিকে ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির মানবিক পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে। জাতিসংঘ শুক্রবার জানিয়েছে, সাম্প্রতিক লড়াইয়ের কারণে এক লাখ ১২ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৩ হাজার মানুষ সমুদ্রপথে পালিয়ে জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছে।
দীর্ঘদিনের সংঘাত ও অর্থনৈতিক সংকটে থাকা ইয়েমেনে নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
এএফপির সাংবাদিকদের বরাতে জানা গেছে, ভোর ৩টার কিছু আগে রিয়াদের বাসিন্দাদের মোবাইলে একটি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় জানানো হয়, ওই এলাকা শত্রুপক্ষের আকাশপথের হুমকির মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সতর্কবার্তা পাওয়ার কিছুক্ষণ পরই দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান এএফপির সাংবাদিকেরা। প্রায় ৩০ মিনিট পর সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয়।
গত জুলাইয়ে ইয়েমেনে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর এবারই প্রথম সৌদি রাজধানী রিয়াদ এ ধরনের সরাসরি বিমান হামলার সতর্কতার আওতায় পড়ল।
হুথিরা ইয়েমেনের জনবহুল অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। চলতি মাসে দেশটির পুরো লোহিত সাগর উপকূল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার লক্ষ্যে তারা অভিযান জোরদার করেছে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপরও তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি আরবের জন্য বাব আল-মান্দেব একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে সৌদি আরবের জন্য এই নৌপথের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমুদ্র অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে তাদের দাবি, সৌদি আরবের জাহাজ ছাড়া অন্যান্য জাহাজের চলাচলের জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালি উন্মুক্ত ও নিরাপদ রয়েছে।
সামুদ্রিক পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই থেকে বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি কমেছে। তবে গত এক সপ্তাহে পাঁচটি তেলবাহী জাহাজ এই নৌপথ ব্যবহার করেছে।
এদিকে ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির মানবিক পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে। জাতিসংঘ শুক্রবার জানিয়েছে, সাম্প্রতিক লড়াইয়ের কারণে এক লাখ ১২ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৩ হাজার মানুষ সমুদ্রপথে পালিয়ে জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছে।
দীর্ঘদিনের সংঘাত ও অর্থনৈতিক সংকটে থাকা ইয়েমেনে নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে