ইউক্রেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত রাশিয়ার কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি কুলিং টাওয়ারে ড্রোন আঘাত হেনেছে। তবে এতে কোনো আগুন লাগেনি বা কেন্দ্রটির কার্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের পারমাণবিক তদারকি সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)। খবর আল আরাবিয়ার।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইএইএ জানায়, রুশ কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছে যে বৃহস্পতিবার ভোরে রাশিয়ার কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি রিঅ্যাক্টর ইউনিটের কুলিং টাওয়ারে একটি ড্রোন আঘাত হানে।
সংস্থাটি জানায়, হামলার সময় সংশ্লিষ্ট ইউনিটটি চালু ছিল। তবে এর কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি এবং কোথাও আগুনও লাগেনি।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর আশপাশে সংঘর্ষের ঝুঁকি নিয়ে বারবার সতর্ক করে আসছে আইএইএ।
কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত। এটি প্রায় ৪ লাখ ৪০ হাজার জনসংখ্যার কুরস্ক শহরের পশ্চিমে অবস্থিত।
আইএইএ বলেছে, পারমাণবিক স্থাপনায় যেকোনো ধরনের হামলা গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এসব হামলা যেখানেই ঘটুক না কেন, তা পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি আবারও সর্বোচ্চ সামরিক সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কোনো পারমাণবিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি সৃষ্টি না হয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইএইএ জানায়, রুশ কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছে যে বৃহস্পতিবার ভোরে রাশিয়ার কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি রিঅ্যাক্টর ইউনিটের কুলিং টাওয়ারে একটি ড্রোন আঘাত হানে।
সংস্থাটি জানায়, হামলার সময় সংশ্লিষ্ট ইউনিটটি চালু ছিল। তবে এর কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি এবং কোথাও আগুনও লাগেনি।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর আশপাশে সংঘর্ষের ঝুঁকি নিয়ে বারবার সতর্ক করে আসছে আইএইএ।
কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত। এটি প্রায় ৪ লাখ ৪০ হাজার জনসংখ্যার কুরস্ক শহরের পশ্চিমে অবস্থিত।
আইএইএ বলেছে, পারমাণবিক স্থাপনায় যেকোনো ধরনের হামলা গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এসব হামলা যেখানেই ঘটুক না কেন, তা পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি আবারও সর্বোচ্চ সামরিক সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কোনো পারমাণবিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি সৃষ্টি না হয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন