ইলিশের সঙ্গে সবজি হিসেবে শাপলার জুড়ি মেলা ভার। একসময় গ্রামের মানুষের প্রিয় খাবার ছিল ইলিশ আর শাপলা। আজকাল ইলিশের দাম নাগালের বাইরে থাকায় এটি অনেকেরই ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। ফলে ইচ্ছা থাকলেও সাধ্য নেই অনেকের। এখনো অপেক্ষায় থাকেন রসনাবিলাসী লোকেরা—কখন কমবে ইলিশের দাম; বাড়িতে শাপলা-ইলিশ রান্না হবে, পেট পুরে মন ভরে খাবেন। তাদের স্বপ্ন কিছুটা হলেও পূরণ হয় একটা সময়ে এসে। বছরের এই সময়টায় সমুদ্রে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ে রুপালি ইলিশ। এছাড়া বাজারে খালবিল ও চাষকৃত মাছের আমদানি বেড়ে যাওয়ায় ইলিশের দামটা কিছুটা নাগালের মধ্যে আসে। এতে সাধারণ মানুষ ইলিশ কিনতে তৎপর হয়ে ওঠেন।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ঘুরে সম্প্রতি দেখা গেছে, শাপলা বিক্রিতে ধুম পড়ে গেছে। উপজেলার বাখরগঞ্জ বাজারে শাপলা বিক্রি করতে আসা সাইফুল শেখ জানান, বাগেরহাটের ফয়লা এলাকা থেকে তিনি পাইকারি দরে শাপলা কিনে এনেছেন। বাখরগঞ্জ, দেপাড়াসহ এলাকার বিভিন্ন হাটবাজারে এগুলো বিক্রি করেন। বর্তমানে বাজারে ইলিশের দাম একটু কম থাকায় শাপলার চাহিদা বেড়ে গেছে। ৬০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে মাঝারি সাইজের ইলিশ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
বিভিন্ন বিল থেকে লোকজন শাপলা তুলে তাদের কাছে বিক্রি করেন। এগুলো তারা রাজধানীতে চালান করেন এবং আশপাশের বিভিন্ন জেলার হাটবাজারে বিক্রি করেন। বর্তমানে বেশ চাহিদা রয়েছে শাপলার। প্রতি আঁটি শাপলা ২০ টাকা দরে বিক্রি করছেন তারা। এছাড়া ইলিশ মাছের সঙ্গে রান্না করলে এর মজাই আলাদা। একসময় আশপাশের খালে-বিলে প্রচুর শাপলা ফুটত, কিন্তু এখন এলাকায় চিংড়ি চাষ বেড়ে যাওয়ায় বাইরের এলাকা থেকে এখানে লোকজন শাপলা নিয়ে আসেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ঘুরে সম্প্রতি দেখা গেছে, শাপলা বিক্রিতে ধুম পড়ে গেছে। উপজেলার বাখরগঞ্জ বাজারে শাপলা বিক্রি করতে আসা সাইফুল শেখ জানান, বাগেরহাটের ফয়লা এলাকা থেকে তিনি পাইকারি দরে শাপলা কিনে এনেছেন। বাখরগঞ্জ, দেপাড়াসহ এলাকার বিভিন্ন হাটবাজারে এগুলো বিক্রি করেন। বর্তমানে বাজারে ইলিশের দাম একটু কম থাকায় শাপলার চাহিদা বেড়ে গেছে। ৬০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে মাঝারি সাইজের ইলিশ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
বিভিন্ন বিল থেকে লোকজন শাপলা তুলে তাদের কাছে বিক্রি করেন। এগুলো তারা রাজধানীতে চালান করেন এবং আশপাশের বিভিন্ন জেলার হাটবাজারে বিক্রি করেন। বর্তমানে বেশ চাহিদা রয়েছে শাপলার। প্রতি আঁটি শাপলা ২০ টাকা দরে বিক্রি করছেন তারা। এছাড়া ইলিশ মাছের সঙ্গে রান্না করলে এর মজাই আলাদা। একসময় আশপাশের খালে-বিলে প্রচুর শাপলা ফুটত, কিন্তু এখন এলাকায় চিংড়ি চাষ বেড়ে যাওয়ায় বাইরের এলাকা থেকে এখানে লোকজন শাপলা নিয়ে আসেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন