কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকের হাঁটাচলা কিংবা নির্বিঘ্নে চলাচল এখন বিপজ্জনক হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে গোসলের সময়। দীর্ঘ সৈকতের শূন্যপয়েন্ট থেকে সর্বোচ্চ দুই কিলোমিটার এলাকায় পর্যটকের বিচরণ থাকে। এখন শূন্য পয়েন্ট থেকে দুইদিকে দুই কিলোমিটার এলাকায় বেলাভূম অসংখ্য কংক্রিটের টুকরো, ইট, পাথর এমনকি কাঁচ ভাঙা অংশ পড়ে আছে। এছাড়া জেলেদের ছিন্নভিন্ন অসংখ্য জাল পড়ে আছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। এতে জোয়ারের সময় গোসল করতে নেমে প্রতিদিন কোন না কোন পর্যটক রক্তাক্ত জখম হচ্ছেন। বিশেষ করে শিশুরা সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে রয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, এই সৈকতের কোন অভিভাবক নেই। পর্যটকদের অভিযোগ, গত জুলাই মাসের পর থেকে বিচের এমন নোংরা অবস্থা পরিবেশ হয়েছে। ফলে মনোরম কুয়াকাটা এখন দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় দোকানিরা জানান, জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে অসংখ্যবার অস্বাভাবিক ঢেউয়ের তাণ্ডবে সৈকতের এরিয়ার বেলাভূমিসহ অসংখ্য স্থাপনা ভেঙে গেছে। এসবের স্থাপনার ভাঙা ইট-পাথর, রডসহ বিভিন্ন ভাঙা টুকরো এখন সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। যার কারণে পর্যটকদের এমন সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া জেলেদের অসংখ্য ছেঁড়া জাল সৈকতে পড়ে আছে। ভেসে ভেসে একেক জায়গায় আটকে থাকছে। এই কারণে পর্যটকরা বিরক্ত হন। তাঁরা স্বাচ্ছন্দে চলাচল করতে পারেন না।
স্থানীয় বাসিন্দা মাজহারুল ইসলাম জানান, সাগরের ভাঙনের কারণে দোকানপাট, পাবলিক টয়লেটসহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে। এর নিচের অংশের ভাঙা টুকরা, ইট-পাথর, রড এসব এখন বেরিয়ে আসছে। ফলে পর্যটকের সমস্যা হচ্ছে। আর শ্যাওলাধরা জিও ব্যাগ ও জিও টিউব তো আছেই। মাজহারুলের দাবি, একারণেই জোয়ারের সময় ট্যুরিস্টরা আহত হচ্ছেন। আর প্রতিদিন ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা দরকার। তাও হচ্ছে না।
পর্যটক দম্পতি রুমেল হাসান ও ইয়াসমিন জানান, সন্তানদের নিয়ে এসেছেন। এখন বিচের অবস্থা খুব খারাপ। হাঁটা যায় না। ইট, পাথর, ছেড়া জাল, এমনকি কাঁচের টুকরা পর্যন্ত পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া শ্যাওলা ধরা, ছেড়া বালুর বস্তায় পা পিছলে পড়ে যেতে হচ্ছে। এমন দুরবস্থা আগে কখনো তারা দেখেননি বলে মন্তব্য করেন।
তারকা মানের হোটেল ‘প্রেসিডেন্ট পার্ক’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সৈয়দ মো. ফারুক বলেন, ‘ বিচের মধ্যে কংক্রিটের ভাঙা অংশ, ইট, দেয়ালের ভাঙা অংশ, রড, ভাঙা ব্লক পড়ে থাকায় পর্যটকের ভোগান্তির শেষ নেই। প্রতিনিয়ত কেউ না কেউ রক্তাক্ত আহত হচ্ছেন। এটি কুয়াকাটার গেস্টদের কাছে একটি উদ্বেগজনক খবর।’ এসব অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে তাঁরা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির একাধিক সভায় বলেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন প্রতিকার নেই।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি মোতালেব শরীফ জানান, কুয়াকাটা সৈকতের এমনিতেই ভাঙন বাড়ছে। তার উপরে নেই কোন সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা। ফলে পর্যটকরা বিরূপ ধারণা নিয়ে ফিরছেন।
কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, বিচের সিকদার রিসোর্টের একটা ভবনের ভগ্নাংশ অপসারণে জন্য বলা হয়েছে। শূণ্য পয়েন্ট থেকে পশ্চিম দিকের ছেড়া জাল অধিকাংশ অপসারণ করা হয়েছে। এছাড়া বিচের ঝুঁকিপূর্ণ স্পটে গোসলে পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করার জন্য সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। একইভাবে যেসব স্থানে গোসল নিরাপদ তাও উল্লেখ করে সাইনবোর্ড লটকানোর কথা জানান পৌর প্রশাসক। বিচকে সুন্দর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হচ্ছে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
স্থানীয় দোকানিরা জানান, জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে অসংখ্যবার অস্বাভাবিক ঢেউয়ের তাণ্ডবে সৈকতের এরিয়ার বেলাভূমিসহ অসংখ্য স্থাপনা ভেঙে গেছে। এসবের স্থাপনার ভাঙা ইট-পাথর, রডসহ বিভিন্ন ভাঙা টুকরো এখন সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। যার কারণে পর্যটকদের এমন সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া জেলেদের অসংখ্য ছেঁড়া জাল সৈকতে পড়ে আছে। ভেসে ভেসে একেক জায়গায় আটকে থাকছে। এই কারণে পর্যটকরা বিরক্ত হন। তাঁরা স্বাচ্ছন্দে চলাচল করতে পারেন না।
স্থানীয় বাসিন্দা মাজহারুল ইসলাম জানান, সাগরের ভাঙনের কারণে দোকানপাট, পাবলিক টয়লেটসহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে। এর নিচের অংশের ভাঙা টুকরা, ইট-পাথর, রড এসব এখন বেরিয়ে আসছে। ফলে পর্যটকের সমস্যা হচ্ছে। আর শ্যাওলাধরা জিও ব্যাগ ও জিও টিউব তো আছেই। মাজহারুলের দাবি, একারণেই জোয়ারের সময় ট্যুরিস্টরা আহত হচ্ছেন। আর প্রতিদিন ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা দরকার। তাও হচ্ছে না।
পর্যটক দম্পতি রুমেল হাসান ও ইয়াসমিন জানান, সন্তানদের নিয়ে এসেছেন। এখন বিচের অবস্থা খুব খারাপ। হাঁটা যায় না। ইট, পাথর, ছেড়া জাল, এমনকি কাঁচের টুকরা পর্যন্ত পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া শ্যাওলা ধরা, ছেড়া বালুর বস্তায় পা পিছলে পড়ে যেতে হচ্ছে। এমন দুরবস্থা আগে কখনো তারা দেখেননি বলে মন্তব্য করেন।
তারকা মানের হোটেল ‘প্রেসিডেন্ট পার্ক’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সৈয়দ মো. ফারুক বলেন, ‘ বিচের মধ্যে কংক্রিটের ভাঙা অংশ, ইট, দেয়ালের ভাঙা অংশ, রড, ভাঙা ব্লক পড়ে থাকায় পর্যটকের ভোগান্তির শেষ নেই। প্রতিনিয়ত কেউ না কেউ রক্তাক্ত আহত হচ্ছেন। এটি কুয়াকাটার গেস্টদের কাছে একটি উদ্বেগজনক খবর।’ এসব অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে তাঁরা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির একাধিক সভায় বলেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন প্রতিকার নেই।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি মোতালেব শরীফ জানান, কুয়াকাটা সৈকতের এমনিতেই ভাঙন বাড়ছে। তার উপরে নেই কোন সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা। ফলে পর্যটকরা বিরূপ ধারণা নিয়ে ফিরছেন।
কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, বিচের সিকদার রিসোর্টের একটা ভবনের ভগ্নাংশ অপসারণে জন্য বলা হয়েছে। শূণ্য পয়েন্ট থেকে পশ্চিম দিকের ছেড়া জাল অধিকাংশ অপসারণ করা হয়েছে। এছাড়া বিচের ঝুঁকিপূর্ণ স্পটে গোসলে পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করার জন্য সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। একইভাবে যেসব স্থানে গোসল নিরাপদ তাও উল্লেখ করে সাইনবোর্ড লটকানোর কথা জানান পৌর প্রশাসক। বিচকে সুন্দর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হচ্ছে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে