২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, এ রায় প্রত্যাশিত ছিল এবং এতে তারা সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে আসামিদের সম্পদের একটি অংশ বাজেয়াপ্ত করে জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের কল্যাণে ব্যবহারের নির্দেশকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের বিধি ও স্ট্যাটিউট অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সুযোগ রয়েছে। তবে এবারই প্রথম ট্রাইব্যুনাল আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বাজেয়াপ্ত সম্পদ জুলাই ফাউন্ডেশন বা আইনসিদ্ধ কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদ ও আহতদের মধ্যে বণ্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন। ট্রাইব্যুনালের এ রায়ের মাধ্যমে নিহত ও আহতদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায় ঘোষণা করেন। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ছাড়া মামলার অপর পাঁচ আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই সম্পদ জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও আহতদের সহায়তায় দেওয়ার নির্দেশও রয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, এ রায় প্রত্যাশিত ছিল এবং এতে তারা সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে আসামিদের সম্পদের একটি অংশ বাজেয়াপ্ত করে জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের কল্যাণে ব্যবহারের নির্দেশকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের বিধি ও স্ট্যাটিউট অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সুযোগ রয়েছে। তবে এবারই প্রথম ট্রাইব্যুনাল আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বাজেয়াপ্ত সম্পদ জুলাই ফাউন্ডেশন বা আইনসিদ্ধ কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদ ও আহতদের মধ্যে বণ্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন। ট্রাইব্যুনালের এ রায়ের মাধ্যমে নিহত ও আহতদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায় ঘোষণা করেন। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ছাড়া মামলার অপর পাঁচ আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই সম্পদ জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও আহতদের সহায়তায় দেওয়ার নির্দেশও রয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে