​এলসি ছাড়াই ওপেন অ্যাকাউন্টে আমদানির সুযোগ

আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০৫:৩৯:৪১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০৫:৩৯:৪১ অপরাহ্ন
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২৯’-এর আওতায় আমদানিকারকদের জন্য ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতিতে মূল্য পরিশোধ এবং নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে ঋণপত্র (এলসি) ছাড়াই সরাসরি বিক্রয় চুক্তিপত্রের মাধ্যমে পণ্য আমদানির বিশেষ সুযোগ প্রদান করা হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়োজিত সকল অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল শাখায় এ সংক্রান্ত নির্দেশনামূলক সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৪ আগস্ট জারি করা নতুন এই আমদানি নীতি আদেশটি ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কিংবা পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত বহাল থাকবে। নতুন নীতিমালার বিধান অনুযায়ী, শিল্প ও বাণিজ্যিক উভয় খাতের আমদানিযোগ্য পণ্যের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়মাবলি পরিপালন সাপেক্ষে ঋণপত্র খোলা ছাড়াই কেবল বিক্রয় চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে আমদানি সম্পন্ন করা যাবে। পাশাপাশি বৈশ্বিক বাণিজ্যে লেনদেন সহজীকরণের স্বার্থে ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতিতে আমদানি ব্যয় পরিশোধের সুযোগও রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন আমদানি নীতিতে শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন উপকরণ আমদানি ও সংরক্ষণের বিষয়ে যুগোপযোগী দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহের বিপরীতে ব্যাংক-টু-ব্যাংক ঋণপত্রের মাধ্যমে দেশীয় মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের রূপরেখাও এতে স্পষ্ট করা হয়। 

এর আগে গত ১৩ আগস্ট বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্সধারী রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র খোলার বিষয়ে জারিকৃত সার্কুলারটি নতুন আমদানি নীতির আলোকে প্রয়োজনে সংশোধিত হিসেবে গণ্য হবে। পণ্য আমদানি কিংবা স্থানীয় উৎস থেকে সংগ্রহের যাবতীয় আর্থিক দায় নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশের প্রতিটি ধারা ও বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রচলিত আইনসমূহ কঠোরভাবে পরিপালন করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :