ব্রিকস সম্মেলনে হাত ধরাধরি করে ঐক্যের বার্তা দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শনিবারের সম্মেলনে তিন নেতার এমন একটি ছবি প্রকাশ্যে আসে।
তিন নেতার এই সৌহার্দ্যপূর্ণ মুহূর্ত অবশ্য নতুন নয়। চলতি মাসের শুরুতে বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনেও তাদের একইভাবে উষ্ণ মুহূর্ত ভাগাভাগি করতে দেখা গিয়েছিল।
ভারতের আয়োজনে চলমান ব্রিকস সম্মেলন যখন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তখন তিন নেতার প্রকাশ্য এই ঐক্যের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে।
সাত বছর পর ভারতে সফরে এসেছেন শি জিনপিং। সর্বশেষ ২০১৯ সালে মোদির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে তিনি ভারত সফর করেছিলেন। এরপর ২০২০ সালে সীমান্তে ভারত-চীন সংঘাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে নামে। তবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) সব ‘সংঘাতপূর্ণ পয়েন্ট’ থেকে সেনা সরানোর বিষয়ে সমঝোতার পর দুই দেশের সম্পর্কে বরফ গলতে শুরু করে।
অন্যদিকে, পুতিন সর্বশেষ ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে ভারত সফর করেছিলেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
তিন নেতার এই সৌহার্দ্যপূর্ণ মুহূর্ত অবশ্য নতুন নয়। চলতি মাসের শুরুতে বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনেও তাদের একইভাবে উষ্ণ মুহূর্ত ভাগাভাগি করতে দেখা গিয়েছিল।
ভারতের আয়োজনে চলমান ব্রিকস সম্মেলন যখন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তখন তিন নেতার প্রকাশ্য এই ঐক্যের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে।
সাত বছর পর ভারতে সফরে এসেছেন শি জিনপিং। সর্বশেষ ২০১৯ সালে মোদির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে তিনি ভারত সফর করেছিলেন। এরপর ২০২০ সালে সীমান্তে ভারত-চীন সংঘাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে নামে। তবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) সব ‘সংঘাতপূর্ণ পয়েন্ট’ থেকে সেনা সরানোর বিষয়ে সমঝোতার পর দুই দেশের সম্পর্কে বরফ গলতে শুরু করে।
অন্যদিকে, পুতিন সর্বশেষ ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে ভারত সফর করেছিলেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন