চট্টগ্রাম নগরের খুলশীর রূপসী হাউজিং সোসাইটি এলাকায় প্রায় ৪০ হাজার ঘনফুট পাহাড় কাটার অভিযোগে দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
মামলার আসামিরা হলেন মো. আবু বকর সিদ্দিক (৫৭) ও মো. ছাবের (৪৭)। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের সিনিয়র টেকনিশিয়ান মো. ওমর ফারুক বাদী হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর খুলশী থানায় মামলাটি করেন। মামলার নম্বর ১৪।
মামলার এজাহার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাহাড় কাটার খবর পেয়ে ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা রূপসী হাউজিং সোসাইটির কাঠালগাঁও, পূর্ব নাসিরাবাদ এলাকায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনে সেখানে পাহাড় কেটে সমতল করার দৃশ্যমান চিহ্ন পাওয়া যায়। কাটা অংশটির আনুমানিক দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট, প্রস্থ ৪০ ফুট ও উচ্চতা ২০ ফুট বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ হিসাবে প্রায় ৪০ হাজার ঘনফুট পাহাড় কাটা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করে পরিবেশ অধিদপ্তর।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে পাহাড় বা প্লটের মালিকানা এবং পাহাড় কাটার বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়া হলেও তারা সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি। পরে ভূমি অফিসের সহায়তায় জমির মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা রূপসী হাউজিং সোসাইটির সভাপতি সালাউদ্দিন, খুলশী ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তাফিজ বিল্লাহ এবং সংশ্লিষ্ট তদারককারীর উপস্থিতিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রাথমিক তদন্তে পরিবেশ অধিদপ্তর বলেছে, অনুমোদন ছাড়া পাহাড় কাটার কারণে এলাকার পরিবেশ ও প্রতিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। এ কারণে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
মামলার বাদী মো. ওমর ফারুক বলেন, 'পাহাড় কাটার অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এর প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।'
এ বিষয়ে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুর রহিম বুধবার সকালে বলেন, 'গতকাল পরিবেশ অধিদপ্তর একটি এজাহার দিয়েছে। আমরা সেটি নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করেছি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।'
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
মামলার আসামিরা হলেন মো. আবু বকর সিদ্দিক (৫৭) ও মো. ছাবের (৪৭)। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের সিনিয়র টেকনিশিয়ান মো. ওমর ফারুক বাদী হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর খুলশী থানায় মামলাটি করেন। মামলার নম্বর ১৪।
মামলার এজাহার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাহাড় কাটার খবর পেয়ে ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা রূপসী হাউজিং সোসাইটির কাঠালগাঁও, পূর্ব নাসিরাবাদ এলাকায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনে সেখানে পাহাড় কেটে সমতল করার দৃশ্যমান চিহ্ন পাওয়া যায়। কাটা অংশটির আনুমানিক দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট, প্রস্থ ৪০ ফুট ও উচ্চতা ২০ ফুট বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ হিসাবে প্রায় ৪০ হাজার ঘনফুট পাহাড় কাটা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করে পরিবেশ অধিদপ্তর।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে পাহাড় বা প্লটের মালিকানা এবং পাহাড় কাটার বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়া হলেও তারা সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি। পরে ভূমি অফিসের সহায়তায় জমির মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা রূপসী হাউজিং সোসাইটির সভাপতি সালাউদ্দিন, খুলশী ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তাফিজ বিল্লাহ এবং সংশ্লিষ্ট তদারককারীর উপস্থিতিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রাথমিক তদন্তে পরিবেশ অধিদপ্তর বলেছে, অনুমোদন ছাড়া পাহাড় কাটার কারণে এলাকার পরিবেশ ও প্রতিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। এ কারণে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
মামলার বাদী মো. ওমর ফারুক বলেন, 'পাহাড় কাটার অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এর প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।'
এ বিষয়ে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুর রহিম বুধবার সকালে বলেন, 'গতকাল পরিবেশ অধিদপ্তর একটি এজাহার দিয়েছে। আমরা সেটি নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করেছি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।'
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন