জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আরও সবুজ ও জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় ব্যাপক পরিসরে বৃক্ষ ও বীজ রোপণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে। টেরে দেস হোমস এর সহায়তায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের আওতায় ৫,৪০০ শিশু ও তরুণ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে ৮,৭৫৩টি ফলদ ও বনজ গাছের চারা এবং বাবলা, খেজুর ও তালসহ বিভিন্ন প্রজাতির ১৬,৮০০টি বীজ রোপণ করেছে।
সাতক্ষীরা জেলার সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ৬৭টি গ্রামে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২০২৫ ও ২০২৬ সালে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত শিশু ও তরুণদের অংশগ্রহণে ব্যাপকভাবে বৃক্ষ ও বীজ রোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়, বিশেষ করে ২০২৬ সালের ৪ জুন থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাগণ, সমাজসেবা কর্মকর্তাগণ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাগণ, কৃষি কর্মকর্তাগণ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা এ কর্মসূচিতে পাওয়া যায়। সরকারি কর্মকর্তা, নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা শিশু ও তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করেছে।
প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় শিশু ও তরুণদের পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে। বৃক্ষ ও বীজ রোপণ কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের পাশাপাশি শিশু ও তরুণরা রোপণ করা গাছের সুরক্ষা, পরিচর্যা এবং দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপও গ্রহণ করছে।
বাড়ির আঙিনায়, সড়ক ও মহাসড়কের পাশে, বাঁধ ও উপকূলীয় সুরক্ষা এলাকায়, নদী ও খালের তীরে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণে গাছ ও বীজ রোপণ করা হয়েছে। তাদের কার্যক্রম শুধু গাছ লাগানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। রোপণ করা চারাগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে শিশু ও তরুণরা নিজেদের উদ্যোগে জাল, বাঁশ ও কাঠের খুঁটি সংগ্রহ করে গাছের চারপাশে সুরক্ষা কাঠামো তৈরি করেছে। তারা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতেও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশু ও তরুণদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দায়িত্ববোধ আরও জোরদার হয়েছে। তারা উপলব্ধি করেছে যে শুধু গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়; নিয়মিত পরিচর্যা, সুরক্ষা এবং গাছের উচ্চ টিকে থাকার হার নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় পরিবেশ ও ভৌগোলিক পরিস্থিতির সঙ্গে উপযোগী এমন গাছের প্রজাতি নির্বাচন ও রোপণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, শিশু ও তরুণদের এই স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ পরিবেশ-সচেতন নেতৃত্ব গড়ে তোলা, সামাজিক দায়িত্ববোধ জোরদার করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল সাতক্ষীরা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
সাতক্ষীরা জেলার সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ৬৭টি গ্রামে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২০২৫ ও ২০২৬ সালে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত শিশু ও তরুণদের অংশগ্রহণে ব্যাপকভাবে বৃক্ষ ও বীজ রোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়, বিশেষ করে ২০২৬ সালের ৪ জুন থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাগণ, সমাজসেবা কর্মকর্তাগণ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাগণ, কৃষি কর্মকর্তাগণ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা এ কর্মসূচিতে পাওয়া যায়। সরকারি কর্মকর্তা, নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা শিশু ও তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করেছে।
প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় শিশু ও তরুণদের পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে। বৃক্ষ ও বীজ রোপণ কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের পাশাপাশি শিশু ও তরুণরা রোপণ করা গাছের সুরক্ষা, পরিচর্যা এবং দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপও গ্রহণ করছে।
বাড়ির আঙিনায়, সড়ক ও মহাসড়কের পাশে, বাঁধ ও উপকূলীয় সুরক্ষা এলাকায়, নদী ও খালের তীরে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণে গাছ ও বীজ রোপণ করা হয়েছে। তাদের কার্যক্রম শুধু গাছ লাগানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। রোপণ করা চারাগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে শিশু ও তরুণরা নিজেদের উদ্যোগে জাল, বাঁশ ও কাঠের খুঁটি সংগ্রহ করে গাছের চারপাশে সুরক্ষা কাঠামো তৈরি করেছে। তারা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতেও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশু ও তরুণদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দায়িত্ববোধ আরও জোরদার হয়েছে। তারা উপলব্ধি করেছে যে শুধু গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়; নিয়মিত পরিচর্যা, সুরক্ষা এবং গাছের উচ্চ টিকে থাকার হার নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় পরিবেশ ও ভৌগোলিক পরিস্থিতির সঙ্গে উপযোগী এমন গাছের প্রজাতি নির্বাচন ও রোপণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, শিশু ও তরুণদের এই স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ পরিবেশ-সচেতন নেতৃত্ব গড়ে তোলা, সামাজিক দায়িত্ববোধ জোরদার করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল সাতক্ষীরা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন