জর্ডানের রাজধানী আম্মানের আল রশিদ আবাসিক এলাকায় অর্ধশতাধিক পথবিড়ালকে বিষ খাইয়ে হত্যা করার অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে জর্ডানে। প্রিয় প্রাণীগুলোর এই নির্মম মৃত্যুতে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, আল রশীদ আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলের বিড়ালগুলোকে নিয়মিত খাবার দিতেন ও যত্ন নিতেন। কিন্তু সম্প্রতি হঠাৎ করেই একের পর এক বিড়াল মারা যেতে শুরু করে এবং অনেক বিড়াল রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়।
একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক বিড়ালের এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু দেখে বাসিন্দাদের মনে বিষপ্রয়োগের সন্দেহ জাগে এবং তারা পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানান।
অভিযোগে প্রকাশ পেয়েছে, ঘটনার কিছুদিন আগে আবাসন এলাকায় বিড়ালকে খাবার দেওয়া নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। এক নারী বাসিন্দা বিড়ালকে খাবার দিতে নিষেধ করে হুমকি দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন অন্য বাসিন্দারা।
ওই ঘটনার পরপরই এভাবে গণহারে বিড়ালগুলোর মৃত্যু হওয়ায় বিষয়টি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে মাঠে নেমেছে জর্ডানের পরিবেশ বিষয়ক পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তাবাহিনী। তারা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছেন এবং ঘটনার মূল কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছেন। যদিও পুলিশ এখনো কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত বা আটক করেনি, তবে পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, এই নির্মমতার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জর্ডানজুড়ে ব্যাপক নিন্দার ঝড় উঠেছে। প্রাণীপ্রেমী ও সচেতন নাগরিকরা পশুপাখির প্রতি এই হিংস্রতার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির দাবি তুলেছেন।
সূত্র: গালফ নিউজ
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, আল রশীদ আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলের বিড়ালগুলোকে নিয়মিত খাবার দিতেন ও যত্ন নিতেন। কিন্তু সম্প্রতি হঠাৎ করেই একের পর এক বিড়াল মারা যেতে শুরু করে এবং অনেক বিড়াল রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়।
একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক বিড়ালের এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু দেখে বাসিন্দাদের মনে বিষপ্রয়োগের সন্দেহ জাগে এবং তারা পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানান।
অভিযোগে প্রকাশ পেয়েছে, ঘটনার কিছুদিন আগে আবাসন এলাকায় বিড়ালকে খাবার দেওয়া নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। এক নারী বাসিন্দা বিড়ালকে খাবার দিতে নিষেধ করে হুমকি দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন অন্য বাসিন্দারা।
ওই ঘটনার পরপরই এভাবে গণহারে বিড়ালগুলোর মৃত্যু হওয়ায় বিষয়টি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে মাঠে নেমেছে জর্ডানের পরিবেশ বিষয়ক পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তাবাহিনী। তারা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছেন এবং ঘটনার মূল কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছেন। যদিও পুলিশ এখনো কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত বা আটক করেনি, তবে পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, এই নির্মমতার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জর্ডানজুড়ে ব্যাপক নিন্দার ঝড় উঠেছে। প্রাণীপ্রেমী ও সচেতন নাগরিকরা পশুপাখির প্রতি এই হিংস্রতার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির দাবি তুলেছেন।
সূত্র: গালফ নিউজ
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে