রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে হাজারো মানুষ। খুদে শিক্ষার্থীরা ছিটিয়ে দিচ্ছে তাজা ফুলের পাপড়ি। মুহুর্মুহু স্লোগানে মুখরিত চারপাশ। প্রিয় নেতা ও দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে একনজর দেখতে এবং বরণ করে নিতে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কজুড়ে দেখা গেল উন্মাদনা ও বর্ণিল উৎসবের আমেজ।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও শহর থেকে ভাতারমারি ইক্ষু খামার এলাকায় নবপ্রতিষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ কিলোমিটার রাস্তার দুই ধারে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ কৃষক, শ্রমিক ও সর্বস্তরের নারী-পুরুষ তাদের প্রিয় মানুষটিকে একনজর দেখার জন্য অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর দেখা পাওয়ার আকুতি জানিয়ে জামালপুর গ্রামের জোলেখা বেগম আবেগজনিত কণ্ঠে বলেন, ‘হামার ফখরুলকে দেখার জন্য মুই অপেক্ষা করছি সকাল থেকে এইঠে দাঁড়াই আছু।’
রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যেও সাধারণ মানুষের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে কোনো ভাটা পড়েনি। বেলা ১১টা ১৯ মিনিটে যখন রাষ্ট্রপতির প্রোটকলের গাড়িবহর অনুষ্ঠানস্থলের দিকে এগোতে শুরু করে, তখন রাস্তার দুপাশে থাকা শিক্ষার্থীরা পুষ্পবৃষ্টি শুরু করে এবং স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
প্রিয় সন্তানকে দেশের সর্বোচ্চ পদে পাওয়ার আনন্দ এবং একই সঙ্গে নিজেদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আজ এক নতুন ইতিহাস ও উৎসবে মেতে উঠেছে পুরো ঠাকুরগাঁও।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও শহর থেকে ভাতারমারি ইক্ষু খামার এলাকায় নবপ্রতিষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ কিলোমিটার রাস্তার দুই ধারে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ কৃষক, শ্রমিক ও সর্বস্তরের নারী-পুরুষ তাদের প্রিয় মানুষটিকে একনজর দেখার জন্য অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর দেখা পাওয়ার আকুতি জানিয়ে জামালপুর গ্রামের জোলেখা বেগম আবেগজনিত কণ্ঠে বলেন, ‘হামার ফখরুলকে দেখার জন্য মুই অপেক্ষা করছি সকাল থেকে এইঠে দাঁড়াই আছু।’
রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যেও সাধারণ মানুষের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে কোনো ভাটা পড়েনি। বেলা ১১টা ১৯ মিনিটে যখন রাষ্ট্রপতির প্রোটকলের গাড়িবহর অনুষ্ঠানস্থলের দিকে এগোতে শুরু করে, তখন রাস্তার দুপাশে থাকা শিক্ষার্থীরা পুষ্পবৃষ্টি শুরু করে এবং স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
প্রিয় সন্তানকে দেশের সর্বোচ্চ পদে পাওয়ার আনন্দ এবং একই সঙ্গে নিজেদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আজ এক নতুন ইতিহাস ও উৎসবে মেতে উঠেছে পুরো ঠাকুরগাঁও।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন