রাজধানীর বনানীতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে উদ্ধার হওয়া মুখে স্কচটেপ লাগানো মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নিহত ওই ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন (৫০)। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে মরদেহ শনাক্ত করেন স্বজনরা।
নিহত ইসমাইলের বাড়ি জামালপুর সদর উপজেলার হবদেশ গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর করলাপাড়া এলাকায় থাকতেন। তিনি সেখানে নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করতেন। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ৯ মাস আগে চাকরি ছেড়ে দেন।
নিহতের ছেলে মো. হাসান বলেন, গত ৪ মাস আগে আমার বাবা আমাদেরকে গাজীপুর রেখে একা গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন জমি বিক্রি করতে। বসতভিটা থেকে ১১ শতাংশ জমি সাড়ে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। সেই টাকা থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ঋণ পরিশোধ করেছেন। এরপর বাড়িতে ঘর দিয়েছেন। বাকি ৫ লাখ টাকা সঙ্গে নিয়ে তিনি ঢাকায় ফিরছিলেন গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে।
হাসান আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বাবা বলেছিলেন, রাত ৩টার গাড়িতে জামালপুর থেকে ঢাকায় রওনা দেবেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আশুলিয়ার জিরানী বাসস্ট্যান্ডে যাই বাবাকে রিসিভ করতে। সেখানে গিয়ে বাবাকে বারবার কল দিলে ফোন বন্ধ পাচ্ছিলাম। পরে বাসায় ফিরে যাই। এরপর শুক্রবার দুপুরে পুলিশের মাধ্যমে খবর পাই বাবার লাশ পাওয়া গিয়েছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপরে।
এর আগে, শুক্রবার সকালে এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে মুখে স্কচটেপ লাগানো ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আঙুলের ছাপ নিয়ে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
মরদেহ উদ্ধারের পর বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্যক্তিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে কোনো একটি গাড়ি থেকে তার মরদেহ ফেলে দেয়া হয়েছে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
নিহত ইসমাইলের বাড়ি জামালপুর সদর উপজেলার হবদেশ গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর করলাপাড়া এলাকায় থাকতেন। তিনি সেখানে নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করতেন। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ৯ মাস আগে চাকরি ছেড়ে দেন।
নিহতের ছেলে মো. হাসান বলেন, গত ৪ মাস আগে আমার বাবা আমাদেরকে গাজীপুর রেখে একা গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন জমি বিক্রি করতে। বসতভিটা থেকে ১১ শতাংশ জমি সাড়ে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। সেই টাকা থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ঋণ পরিশোধ করেছেন। এরপর বাড়িতে ঘর দিয়েছেন। বাকি ৫ লাখ টাকা সঙ্গে নিয়ে তিনি ঢাকায় ফিরছিলেন গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে।
হাসান আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বাবা বলেছিলেন, রাত ৩টার গাড়িতে জামালপুর থেকে ঢাকায় রওনা দেবেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আশুলিয়ার জিরানী বাসস্ট্যান্ডে যাই বাবাকে রিসিভ করতে। সেখানে গিয়ে বাবাকে বারবার কল দিলে ফোন বন্ধ পাচ্ছিলাম। পরে বাসায় ফিরে যাই। এরপর শুক্রবার দুপুরে পুলিশের মাধ্যমে খবর পাই বাবার লাশ পাওয়া গিয়েছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপরে।
এর আগে, শুক্রবার সকালে এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে মুখে স্কচটেপ লাগানো ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আঙুলের ছাপ নিয়ে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
মরদেহ উদ্ধারের পর বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্যক্তিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে কোনো একটি গাড়ি থেকে তার মরদেহ ফেলে দেয়া হয়েছে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন