আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির ড. নূরুল ইসলাম বাবুলের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার (৪সেপ্টেম্বর) নগরীর মদীনা মার্কেট এলাকার একটি মিলনায়তনে দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি তার নাম ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ড. নূরুল ইসলাম বাবুলের পক্ষে নির্বাচনি কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সিলেট মহানগর জামায়াতের থানা মজলিসে শুরা ও কর্মপরিষদের সদস্যদের দুই দিনব্যাপী শিক্ষা শিবিরের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, সিলেট নগরবাসীর নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং সিলেট সিটিকে একটি ইনসাফভিত্তিক, আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই ড. নূরুল ইসলাম বাবুলকে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জনগণের অধিকার, নাগরিক সেবা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাও তার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সততা, মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা, নৈতিক চরিত্র ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা আরও বলেন, সৎ ও যোগ্য মানুষ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে জনগণের অর্থ ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের সুযোগ কমে আসে। একই সঙ্গে দক্ষ ও মেধাবী নেতৃত্ব নগরের সমস্যা চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে তা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, সিলেট একটি সম্ভাবনাময় নগরী। একে আধুনিক ও বাসযোগ্য করে তুলতে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবেন এবং দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবেন।
ড. নূরুল ইসলাম বাবুলকে পরিচ্ছন্ন রাজনীতি, সততা ও যোগ্যতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, তার নেতৃত্বে সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে একটি জনকল্যাণমুখী ও আধুনিক নগর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বাবুলের সততা, মেধা, যোগ্যতা ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বার্তা নগরীর প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। রাজনৈতিকবিশ্লেষণ পরিষেবা
তিনি বলেন, শুধু নির্বাচনের সময় নয়, জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। নগরবাসীর সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনে সেগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমেই একটি শক্তিশালী ও জনবান্ধব নগর প্রশাসন গড়ে তোলা সম্ভব।
এ জন্য সিসিকের প্রতিটি ওয়ার্ড, পাড়া-মহল্লা ও পরিবারের কাছে জামায়াতের প্রার্থীর পরিচয় এবং তার পরিকল্পনা তুলে ধরার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন তিনি।
কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষা শিবিরে বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট অঞ্চল টিমের সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমির হাফিজ মিফতাহুদ্দীন, ড. নূরুল ইসলাম বাবুল এবং জেলা জামায়াত নেতা ও সাবেক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদসহ অন্যরা।
মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে ড. নূরুল ইসলাম বাবুলের নাম ঘোষণার পর উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। পরে সমাবেশ থেকে সিসিকের প্রতিটি ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
সিলেট মহানগর জামায়াতের থানা মজলিসে শুরা ও কর্মপরিষদের সদস্যদের দুই দিনব্যাপী শিক্ষা শিবিরের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, সিলেট নগরবাসীর নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং সিলেট সিটিকে একটি ইনসাফভিত্তিক, আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই ড. নূরুল ইসলাম বাবুলকে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জনগণের অধিকার, নাগরিক সেবা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাও তার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সততা, মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা, নৈতিক চরিত্র ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা আরও বলেন, সৎ ও যোগ্য মানুষ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে জনগণের অর্থ ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের সুযোগ কমে আসে। একই সঙ্গে দক্ষ ও মেধাবী নেতৃত্ব নগরের সমস্যা চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে তা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, সিলেট একটি সম্ভাবনাময় নগরী। একে আধুনিক ও বাসযোগ্য করে তুলতে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবেন এবং দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবেন।
ড. নূরুল ইসলাম বাবুলকে পরিচ্ছন্ন রাজনীতি, সততা ও যোগ্যতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, তার নেতৃত্বে সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে একটি জনকল্যাণমুখী ও আধুনিক নগর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বাবুলের সততা, মেধা, যোগ্যতা ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বার্তা নগরীর প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। রাজনৈতিকবিশ্লেষণ পরিষেবা
তিনি বলেন, শুধু নির্বাচনের সময় নয়, জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। নগরবাসীর সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনে সেগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমেই একটি শক্তিশালী ও জনবান্ধব নগর প্রশাসন গড়ে তোলা সম্ভব।
এ জন্য সিসিকের প্রতিটি ওয়ার্ড, পাড়া-মহল্লা ও পরিবারের কাছে জামায়াতের প্রার্থীর পরিচয় এবং তার পরিকল্পনা তুলে ধরার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন তিনি।
কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষা শিবিরে বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট অঞ্চল টিমের সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমির হাফিজ মিফতাহুদ্দীন, ড. নূরুল ইসলাম বাবুল এবং জেলা জামায়াত নেতা ও সাবেক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদসহ অন্যরা।
মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে ড. নূরুল ইসলাম বাবুলের নাম ঘোষণার পর উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। পরে সমাবেশ থেকে সিসিকের প্রতিটি ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন