মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে এক লাখ ৭৫ হাজার ঘনমিটার ধারণক্ষমতার একটি এলএনজিবাহী জাহাজ ভিড়েছে। জাহাজটি থেকে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির পরিচালিত টার্মিনালে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। এতে টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটি মহেশখালীর টার্মিনালে ভেড়ে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জাহাজ থেকে এক্সিলারেটের টার্মিনালে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। সরবরাহ বাড়লে দেশে চলমান গ্যাস সংকট কিছুটা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটি থেকে দৈনিক প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার সকালে দেশীয় কোম্পানি সামিট পাওয়ার লিমিটেডের টার্মিনাল থেকে ৫২০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে মাত্র ১৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছিল। নতুন এলএনজি কার্গো আসায় এক্সিলারেট টার্মিনালের সরবরাহ বাড়বে।
এলএনজি ও দেশের বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাওয়া গ্যাস মিলিয়ে বর্তমানে দেশে মোট সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৩৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে স্বাভাবিক সময়ে দেশে ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হয়ে থাকে।
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটির সম্মিলিত সরবরাহ সক্ষমতা ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু গত প্রায় দেড় মাস ধরে এলএনজি সংকটের কারণে টার্মিনাল দুটির সক্ষমতা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। গত দুই সপ্তাহ ধরে সরবরাহ ৭০০ থেকে ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের মধ্যে রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানি করা এলএনজিবাহী জাহাজ নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দেশে আসতে শুরু করায় পরিস্থিতির উন্নতি হবে। পর্যায়ক্রমে টার্মিনাল দুটির সক্ষমতা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হলে দেশে চলমান গ্যাস সংকটও অনেকটা কমে আসতে পারে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটি মহেশখালীর টার্মিনালে ভেড়ে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জাহাজ থেকে এক্সিলারেটের টার্মিনালে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। সরবরাহ বাড়লে দেশে চলমান গ্যাস সংকট কিছুটা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটি থেকে দৈনিক প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার সকালে দেশীয় কোম্পানি সামিট পাওয়ার লিমিটেডের টার্মিনাল থেকে ৫২০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে মাত্র ১৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছিল। নতুন এলএনজি কার্গো আসায় এক্সিলারেট টার্মিনালের সরবরাহ বাড়বে।
এলএনজি ও দেশের বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাওয়া গ্যাস মিলিয়ে বর্তমানে দেশে মোট সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৩৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে স্বাভাবিক সময়ে দেশে ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হয়ে থাকে।
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটির সম্মিলিত সরবরাহ সক্ষমতা ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু গত প্রায় দেড় মাস ধরে এলএনজি সংকটের কারণে টার্মিনাল দুটির সক্ষমতা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। গত দুই সপ্তাহ ধরে সরবরাহ ৭০০ থেকে ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের মধ্যে রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানি করা এলএনজিবাহী জাহাজ নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দেশে আসতে শুরু করায় পরিস্থিতির উন্নতি হবে। পর্যায়ক্রমে টার্মিনাল দুটির সক্ষমতা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হলে দেশে চলমান গ্যাস সংকটও অনেকটা কমে আসতে পারে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে