সম্প্রতি নেপালের উত্তরাঞ্চলে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার দায় ভারত, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপিয়ে তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাঠমান্ডু প্রশাসন।
বৈশ্বিক কার্বন দূষণ ও সর্বাধিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের কারণেই এ বিপর্যয় ঘটেছে বলে মনে করছে দেশটি। চলতি সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ সভায় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন’ নামেও সমধিক পরিচিত।
নেপালি টেলিভিশন চ্যানেল ‘কান্তিপুর টিভি’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বলেন, "আমরা সাহায্য নয়, ন্যায়বিচার এবং ক্ষতিপূরণ চাইছি। সেই অনুযায়ী আমরা কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিচ্ছি।"
তিনি আরও যোগ করেন, "এটা দয়াদাক্ষিণ্যের ব্যাপার নয়। এটা নৈতিক এবং আইনগত দায়বদ্ধতা।" সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী এই তিন দেশের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে দুর্যোগ-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে চায় নেপাল।
গত ২৮ আগস্টের প্রলয়ংকরী আকস্মিক বন্যার পর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া দেশের সার্বিক পুনর্গঠনে অন্তত ৫০০ কোটি ডলার প্রয়োজন। বৈশ্বিক জলবায়ুজনিত বিপর্যয়ের ধাক্কা সামলাতে জাতিসংঘের বিশেষ জলবায়ু তহবিল থেকে জরুরি আর্থিক সহায়তার আবেদন জানাচ্ছে নেপাল।
তবে কোনো ধরনের 'মানবিক অনুদান' নয়, বরং জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে শীর্ষ তিন দূষণকারী দেশের কাছ থেকেই সরাসরি ক্ষতিপূরণ দাবি করছে দেশটি। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে নেপালের পক্ষ থেকে জোরালো বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর নেপালের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রধান মহেশ্বর ধাকাল সরাসরি কোনো দেশের নাম না নিয়ে 'ধনী' দেশগুলোকে দায়ী করে বলেছিলেন, গত বেশ কয়েক দশক ধরে ধনী দেশগুলোর সীমাহীন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাশুল গুনতে হচ্ছে নেপালের মতো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে। তাঁর ভাষায়, "যারা কার্বন নির্গমনে সবচেয়ে কম ভূমিকা রেখেছে, তারাই সবচেয়ে বেশি ভুগছে।"
নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হিমবাহ ধসে নামা এই হড়পা বানে বুহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত ১,১২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনো ৪,৮৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বৈশ্বিক কার্বন দূষণ ও সর্বাধিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের কারণেই এ বিপর্যয় ঘটেছে বলে মনে করছে দেশটি। চলতি সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ সভায় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন’ নামেও সমধিক পরিচিত।
নেপালি টেলিভিশন চ্যানেল ‘কান্তিপুর টিভি’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বলেন, "আমরা সাহায্য নয়, ন্যায়বিচার এবং ক্ষতিপূরণ চাইছি। সেই অনুযায়ী আমরা কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিচ্ছি।"
তিনি আরও যোগ করেন, "এটা দয়াদাক্ষিণ্যের ব্যাপার নয়। এটা নৈতিক এবং আইনগত দায়বদ্ধতা।" সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী এই তিন দেশের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে দুর্যোগ-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে চায় নেপাল।
গত ২৮ আগস্টের প্রলয়ংকরী আকস্মিক বন্যার পর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া দেশের সার্বিক পুনর্গঠনে অন্তত ৫০০ কোটি ডলার প্রয়োজন। বৈশ্বিক জলবায়ুজনিত বিপর্যয়ের ধাক্কা সামলাতে জাতিসংঘের বিশেষ জলবায়ু তহবিল থেকে জরুরি আর্থিক সহায়তার আবেদন জানাচ্ছে নেপাল।
তবে কোনো ধরনের 'মানবিক অনুদান' নয়, বরং জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে শীর্ষ তিন দূষণকারী দেশের কাছ থেকেই সরাসরি ক্ষতিপূরণ দাবি করছে দেশটি। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে শুরু হতে যাওয়া জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে নেপালের পক্ষ থেকে জোরালো বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর নেপালের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রধান মহেশ্বর ধাকাল সরাসরি কোনো দেশের নাম না নিয়ে 'ধনী' দেশগুলোকে দায়ী করে বলেছিলেন, গত বেশ কয়েক দশক ধরে ধনী দেশগুলোর সীমাহীন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাশুল গুনতে হচ্ছে নেপালের মতো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে। তাঁর ভাষায়, "যারা কার্বন নির্গমনে সবচেয়ে কম ভূমিকা রেখেছে, তারাই সবচেয়ে বেশি ভুগছে।"
নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হিমবাহ ধসে নামা এই হড়পা বানে বুহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত ১,১২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনো ৪,৮৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে