বগুড়ায় বাকিতে সিগারেট কেনাকে কেন্দ্র করে রাকিব হাসান হৃদয় (২০) হত্যা মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
প্রায় পাঁচ বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার (৩১ আগস্ট) বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৫ আদালতের বিচারক কৌশিক আহমেদ খন্দকার এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন ও মো. রাব্বি। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আশিক, শাকিল ও মতিন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাসুদার রহমান জানান, ২০২১ সালের ২০ জুলাই রাতে বগুড়া শহরের কৈপাড়া এলাকায় রাকিব হাসান হৃদয়ের মুদির দোকানে সিগারেট কেনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় আশিক ও স্বাধীনসহ কয়েকজন সেখানে সিগারেট কিনতে গেলে বাকিতে সিগারেট দেওয়া নিয়ে হৃদয়ের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে তারা সেখান থেকে চলে যান। পরে কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ হৃদয়ের দোকানে হামলা চালানো হয়। এ সময় হৃদয় ও তার বাবা মামুনুর রশিদ ছুরিকাহত হন।
গুরুতর আহত হৃদয়কে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হৃদয়ের বাবা মামুনুর রশিদ সারিয়াকান্দির কড়িতলা এসএইচ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
এ ঘটনায় হৃদয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে সাক্ষ্য গ্রহণ, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কসহ দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় দেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রায় পাঁচ বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার (৩১ আগস্ট) বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৫ আদালতের বিচারক কৌশিক আহমেদ খন্দকার এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সাদ্দাম হোসেন স্বাধীন ও মো. রাব্বি। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আশিক, শাকিল ও মতিন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাসুদার রহমান জানান, ২০২১ সালের ২০ জুলাই রাতে বগুড়া শহরের কৈপাড়া এলাকায় রাকিব হাসান হৃদয়ের মুদির দোকানে সিগারেট কেনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় আশিক ও স্বাধীনসহ কয়েকজন সেখানে সিগারেট কিনতে গেলে বাকিতে সিগারেট দেওয়া নিয়ে হৃদয়ের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে তারা সেখান থেকে চলে যান। পরে কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ হৃদয়ের দোকানে হামলা চালানো হয়। এ সময় হৃদয় ও তার বাবা মামুনুর রশিদ ছুরিকাহত হন।
গুরুতর আহত হৃদয়কে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হৃদয়ের বাবা মামুনুর রশিদ সারিয়াকান্দির কড়িতলা এসএইচ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
এ ঘটনায় হৃদয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে সাক্ষ্য গ্রহণ, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কসহ দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় দেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন