প্রাইভেট কারের বনেট, দরজা, জানালা, লুকিং গ্লাস, বুট, হুড কিংবা ট্রাঙ্ক—এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে চুমুর চিহ্ন নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল একটি ভিডিওতে এমন দৃশ্য দেখা যায়। আর এটি রোমান্টিক কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়। বরং বাস্তবে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন এক প্রেমিকা!
প্রেম নিয়ে আত্মত্যাগ-পাগলামির গল্প এই পৃথিবীতে কম নেই। তবে একটি সাদা গাড়ির ক্যানভাসে একজন প্রেমিকার এমন শিল্পকর্ম বোধহয় পৃথিবীর মানুষ কমই দেখেছেন! আর এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ভারতের মধ্যপ্রদেশের একজন প্রেমিকা। তবে ঘটনাটি কেবল প্রেমের জন্য নয়, পেছনে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ারও প্রভাব।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে প্রেমিকের সুইফট ডিজায়ার গাড়িতে ৩ হাজার ৪০০টি চুমু খেয়েছেন প্রেমিকা। এজন্য ৮০০-৯০০ রুপির লিপস্টিক খরচ হয়েছে তার। যদিও প্রেমের আবেগ কিংবা লিপস্টিকের খরচকে পাত্তা দেয়নি মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রের ‘গোলা কা মন্দির’ ট্রাফিক থানা পুলিশ। চোখের সামনে আস্ত ‘চুমুযান’ দেখে বিস্মিত তারা। ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ৫ হাজার ৫০০ রুপির চালান কাটে পুলিশ।
গাড়ির মালিক আদিত্য শেখরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পুলিশের জেরায় খানিকটা ঘাবড়ে গিয়ে আদিত্য শেখর বলেন, “আমার এক বান্ধবী এটা করেছিল। আমি গাড়িটি পার্ক করে অন্য এক জায়গায় গিয়েছিলাম, তখন সে এই চিহ্নগুলো তৈরি করে। আমি ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করেছিলাম।”
মানুষের দৃষ্টি আর্কষণের জন্য কী ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন? এ প্রশ্নের জবাবে আদিত্য শেখর বলেন, “আমার বান্ধবী মনে করেছিল, এটা করলে ভিডিওটি ভাইরাল হবে। সত্যি সত্যি ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।”
আদিত্য শেখর জানান, পুলিশ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই ভিডিওটি প্রায় ৫৫ লাখ ভিউ হয়। তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ২ হাজার ৯৫২ জন ফলোয়ার এবং ৬৪টি পোস্ট ছিল। পুলিশ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পর অ্যাকাউন্টটি ব্লক করে দেন আদিত্য।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ট্রাফিক পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিষেক রঘুবংশী বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছিল। তাতে দেখতে পাই, গাড়িটি প্যাটেল নগর-সিটি সেন্টার এলাকা থেকে দ্রুতগতিতে চলে যাচ্ছে। গাড়িটির পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করতে ভিডিও থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করি। তদন্ত পুলিশকে থাটিপুরে নিয়ে যায়। গাড়ি ও চালককে শনাক্ত করার পর, পুলিশ মোটরযান আইনের বিভিন্ন ধারায় ৫ হাজার ৫০০ রুপি জরিমানা করে।”
আদিত্য শেখর তার ভুল স্বীকার করে পুলিশ স্টেশনের পাশে দাঁড়িয়েই গাড়িতে থাকা লিপস্টিকের দাগগুলো নিজে পরিষ্কার করেন বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
প্রেম নিয়ে আত্মত্যাগ-পাগলামির গল্প এই পৃথিবীতে কম নেই। তবে একটি সাদা গাড়ির ক্যানভাসে একজন প্রেমিকার এমন শিল্পকর্ম বোধহয় পৃথিবীর মানুষ কমই দেখেছেন! আর এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ভারতের মধ্যপ্রদেশের একজন প্রেমিকা। তবে ঘটনাটি কেবল প্রেমের জন্য নয়, পেছনে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ারও প্রভাব।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে প্রেমিকের সুইফট ডিজায়ার গাড়িতে ৩ হাজার ৪০০টি চুমু খেয়েছেন প্রেমিকা। এজন্য ৮০০-৯০০ রুপির লিপস্টিক খরচ হয়েছে তার। যদিও প্রেমের আবেগ কিংবা লিপস্টিকের খরচকে পাত্তা দেয়নি মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রের ‘গোলা কা মন্দির’ ট্রাফিক থানা পুলিশ। চোখের সামনে আস্ত ‘চুমুযান’ দেখে বিস্মিত তারা। ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ৫ হাজার ৫০০ রুপির চালান কাটে পুলিশ।
গাড়ির মালিক আদিত্য শেখরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পুলিশের জেরায় খানিকটা ঘাবড়ে গিয়ে আদিত্য শেখর বলেন, “আমার এক বান্ধবী এটা করেছিল। আমি গাড়িটি পার্ক করে অন্য এক জায়গায় গিয়েছিলাম, তখন সে এই চিহ্নগুলো তৈরি করে। আমি ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করেছিলাম।”
মানুষের দৃষ্টি আর্কষণের জন্য কী ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন? এ প্রশ্নের জবাবে আদিত্য শেখর বলেন, “আমার বান্ধবী মনে করেছিল, এটা করলে ভিডিওটি ভাইরাল হবে। সত্যি সত্যি ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।”
আদিত্য শেখর জানান, পুলিশ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই ভিডিওটি প্রায় ৫৫ লাখ ভিউ হয়। তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ২ হাজার ৯৫২ জন ফলোয়ার এবং ৬৪টি পোস্ট ছিল। পুলিশ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পর অ্যাকাউন্টটি ব্লক করে দেন আদিত্য।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ট্রাফিক পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিষেক রঘুবংশী বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছিল। তাতে দেখতে পাই, গাড়িটি প্যাটেল নগর-সিটি সেন্টার এলাকা থেকে দ্রুতগতিতে চলে যাচ্ছে। গাড়িটির পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করতে ভিডিও থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করি। তদন্ত পুলিশকে থাটিপুরে নিয়ে যায়। গাড়ি ও চালককে শনাক্ত করার পর, পুলিশ মোটরযান আইনের বিভিন্ন ধারায় ৫ হাজার ৫০০ রুপি জরিমানা করে।”
আদিত্য শেখর তার ভুল স্বীকার করে পুলিশ স্টেশনের পাশে দাঁড়িয়েই গাড়িতে থাকা লিপস্টিকের দাগগুলো নিজে পরিষ্কার করেন বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন