নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর দেশটির অন্তত ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ৯৩৩ শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত এসব জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে সেখানে কর্মরত অনেক শ্রমিক এখনো নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে পারেননি।
আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়েছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া, ভারী বৃষ্টি, নদীর পানি বৃদ্ধি এবং নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।
বন্যার পানির সঙ্গে কাদা, পাথর ও বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ নেমে আসায় প্রকল্প এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। একই সঙ্গে বহু সড়ক ও যোগাযোগপথ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকারী দলকে দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটকে থাকা শ্রমিকদের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। দুর্গম এলাকাগুলোতে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে যোগাযোগপথ সচল করার পাশাপাশি ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।
উদ্ধার অভিযানে নেপালের সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থার সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন। তবে আবহাওয়ার পরিস্থিতি এবং নতুন করে ভূমিধসের ঝুঁকি থাকায় সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালানো হচ্ছে।
গত সপ্তাহে হিমালয় অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টি ও হিমবাহ ধসের পর নেপালের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দেয়। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে কর্মরত শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটকে পড়া শ্রমিকদের নিরাপদে উদ্ধারের বিষয়টিকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সোমবার (৩১ আগস্ট) কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত এসব জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে সেখানে কর্মরত অনেক শ্রমিক এখনো নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে পারেননি।
আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়েছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া, ভারী বৃষ্টি, নদীর পানি বৃদ্ধি এবং নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।
বন্যার পানির সঙ্গে কাদা, পাথর ও বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ নেমে আসায় প্রকল্প এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। একই সঙ্গে বহু সড়ক ও যোগাযোগপথ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকারী দলকে দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটকে থাকা শ্রমিকদের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। দুর্গম এলাকাগুলোতে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে যোগাযোগপথ সচল করার পাশাপাশি ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।
উদ্ধার অভিযানে নেপালের সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থার সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন। তবে আবহাওয়ার পরিস্থিতি এবং নতুন করে ভূমিধসের ঝুঁকি থাকায় সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালানো হচ্ছে।
গত সপ্তাহে হিমালয় অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টি ও হিমবাহ ধসের পর নেপালের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দেয়। এতে প্রাণহানির পাশাপাশি ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে কর্মরত শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটকে পড়া শ্রমিকদের নিরাপদে উদ্ধারের বিষয়টিকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে