গুমের অভিযোগ তদন্ত করার ক্ষমতা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে না দিয়ে স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া এবং তা আইনে উল্লেখ করার দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।
অধিকারের ভাষ্য, গত ৩ আগস্ট মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত-গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬ খসড়া আইনের ধারা মোতাবেক শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তসংশ্লিষ্ট বাহিনী পরিচালনা করতে পারবে না এবং সরকার তদন্তভার অভিযুক্ত বাহিনী ব্যতিরেকে অন্য কোনো বাহিনী বা আন্তঃবাহিনীর তদন্ত দলের কাছে অর্পণ করতে পারবে। কিন্তু এর ফলে পুলিশসহ যেকোনো শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক গুমের তদন্ত পক্ষপাতদুষ্ট হবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
অনুষ্ঠানে আগত গুমের শিকার ব্যক্তিরা গুমের সংস্কৃতি পরিবর্তনের দাবি তোলেন এবং বর্তমান সরকারের সময় ঘটে যাওয়া গুমের ঘটনারও সমালোচনা করেন।
তাদের দাবি, গুমসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্ত করার ক্ষমতা স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে।
ভুক্তভোগীরা আরো দাবি তোলেন, স্ত্রী-সন্তানরা যাতে গুম হওয়া ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব পরিচালনাসহ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন সে ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সঙ্গে গুম থেকে ফেরত আসাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান ভুক্তভোগীরা। এ ছাড়া গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনারও দাবি জানান তারা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
অধিকারের ভাষ্য, গত ৩ আগস্ট মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত-গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬ খসড়া আইনের ধারা মোতাবেক শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তসংশ্লিষ্ট বাহিনী পরিচালনা করতে পারবে না এবং সরকার তদন্তভার অভিযুক্ত বাহিনী ব্যতিরেকে অন্য কোনো বাহিনী বা আন্তঃবাহিনীর তদন্ত দলের কাছে অর্পণ করতে পারবে। কিন্তু এর ফলে পুলিশসহ যেকোনো শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক গুমের তদন্ত পক্ষপাতদুষ্ট হবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
অনুষ্ঠানে আগত গুমের শিকার ব্যক্তিরা গুমের সংস্কৃতি পরিবর্তনের দাবি তোলেন এবং বর্তমান সরকারের সময় ঘটে যাওয়া গুমের ঘটনারও সমালোচনা করেন।
তাদের দাবি, গুমসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্ত করার ক্ষমতা স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে।
ভুক্তভোগীরা আরো দাবি তোলেন, স্ত্রী-সন্তানরা যাতে গুম হওয়া ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব পরিচালনাসহ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন সে ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সঙ্গে গুম থেকে ফেরত আসাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান ভুক্তভোগীরা। এ ছাড়া গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনারও দাবি জানান তারা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন