​রংপুরে চার হত্যাকাণ্ড: পুলিশের বিরুদ্ধে আলামত ধ্বংসের অভিযোগ

আপলোড সময় : ২৭-০৮-২০২৬ ০১:০৭:৪৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৭-০৮-২০২৬ ০১:০৭:৪৮ অপরাহ্ন
রংপুর নগরীর দাসপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে চার খুনের ঘটনায় আলামত ধ্বংসের অভিযোগে উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে এমন অভিযোগ করেন হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থের পরিবার। এমন তথ্য পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

অভিযুক্ত সিদ্ধার্থের ভাই পার্থ দাস অভিযোগ করে বলেন, গণপতি চক্রবর্তী বাড়ির লাইট অফ করে আলামত ধ্বংস করা হচ্ছে। এজন্য পানি ঢেলে ধুয়ে ফেলা হচ্ছে আলামত। তার ভাই সিদ্ধার্থ দাসকে ফাঁসানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এভাবেই গড়াগড়ি করে কাঁদছিলেন আর কথাগুলো বলছিলেন গণপতি হত্যাকাণ্ডের আসামি সিদ্ধার্থ দাসের বড় ভাই পার্থ দাস।

এ অভিযোগ প্রসঙ্গে দায়িত্বরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হাকিম বলেন, ‘ভুল করে মোটরের সুইচ অন করা হয়েছিল। যখন ট্যাংকির পানি ভর্তি হয়েছে তখন সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্য কিছু না। যারা বলছে আলামত নষ্ট করা হয়েছে, এমন তথ্য সঠিক না।’

গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে পানি প্রসঙ্গে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘এখানে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। লাইটের সুইচ অন করার সময় ভুল করে মোটরের সুইস অন হয়েছে। কেননা, পুলিশ তো এই বাড়ির কোথায় কী সেটা জানে না। এতে ট্যাংকির পানি ওভারফ্লো হয়ে ছাদে পরেছে, আর কিছু না। আলামত নষ্ট করার অভিযোগ একেবারে অবান্তর। কেননা আলামত মরদেহ উদ্ধারের সময় সংরক্ষণ করা হয়েছে।’

শনিবার (২২ আগস্ট) রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জেলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওই এলাকার কানু দাশের ছেলে মুগ্ধ দাস ও বিনয় দাসের ছেলে সিদ্ধর্থ দাসকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। পরে রবিবার দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের পক্ষে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :