রংপুরে চার মরদেহ উদ্ধার

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হত্যার বিচার দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

আপলোড সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ০১:৪৬:১১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ০২:১২:৫৫ অপরাহ্ন
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় তালাবদ্ধ ভবন থেকে জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী এবং একই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আইয়ুসসহ তার মা ও বোনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় রংপুর জিলা স্কুলের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা। এ সময় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা। 

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, গণপতি চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক ও স্বনামধন্য শিক্ষক ছিলেন। তাকে এবং তার পরিবারের আরও তিন সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তারা গভীরভাবে মর্মাহত। দ্রুত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

রংপুর জিলা স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এসএম সাদমান বলেন, আইয়ুস তাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। আর গণপতি চক্রবর্তী ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। শিক্ষক হিসেবে তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। তার পরিবারের এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

একই দাবি জানান গণপতি চক্রবর্তীর সাবেক সহকর্মী শিক্ষক শফিউর রহমান। রংপুর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, সহকর্মী হিসেবে আমরা আজ আন্দোলনে দাঁড়িয়েছি। দ্রুত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আজ রবিবার দুপুর ১টায় এই হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের।

উল্লেখ্য, শনিবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাত ১১টার দিকে নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ার বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 
 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :