যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা ইস্যু স্থগিতের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি বাতিল করে দিয়েছেন নিউইয়র্কের এক ফেডারেল বিচারক। শুক্রবার দেওয়া রায়ে তিনি বলেছেন, এই নীতিটি ছিল স্পষ্টতই বেআইনি এবং এটি ফেডারেল অভিবাসন আইনের পরিপন্থি।
ম্যানহাটনের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউইয়র্কের বিচারক জেনেট ভার্গাসের মতে, এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত অভিবাসন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
বিচারক ভার্গাস বলেন, জাতীয়তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার এই নীতি বিদ্যমান আইনি কাঠামোর সরাসরি লঙ্ঘন।
ডেমোক্র্যাট সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মনোনীত বিচারক ভার্গাস অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক ও আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদার, অভিবাসী ভিসার আবেদনকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত এমন কয়েকজন মার্কিন নাগরিকের করা মামলায় এই রায় দেন, যারা সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনতে আবেদন করেছিলেন।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া এই নীতির আওতায় লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে; বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া; দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বহু দেশের নাগরিকরা পড়েছিলেন।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে ব্যাপক অভিবাসন নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার প্রশাসনের দাবি, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা।
এদিকে, বিচারকের রায়ের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
সূত্র: আল জাজিরা
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
ম্যানহাটনের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউইয়র্কের বিচারক জেনেট ভার্গাসের মতে, এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত অভিবাসন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
বিচারক ভার্গাস বলেন, জাতীয়তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার এই নীতি বিদ্যমান আইনি কাঠামোর সরাসরি লঙ্ঘন।
ডেমোক্র্যাট সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মনোনীত বিচারক ভার্গাস অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক ও আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদার, অভিবাসী ভিসার আবেদনকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত এমন কয়েকজন মার্কিন নাগরিকের করা মামলায় এই রায় দেন, যারা সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনতে আবেদন করেছিলেন।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া এই নীতির আওতায় লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে; বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া; দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ও বাংলাদেশসহ আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বহু দেশের নাগরিকরা পড়েছিলেন।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে ব্যাপক অভিবাসন নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার প্রশাসনের দাবি, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা।
এদিকে, বিচারকের রায়ের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
সূত্র: আল জাজিরা
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন