আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াটারএইড, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ডা. খায়রুল ইসলাম (৬৭) আর নেই। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড) তাঁর মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ওয়াটারএইডের কো–অর্ডিনেটর (কমিউনিকেশনস) প্লাবন গঙ্গোপাধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওয়াটারএইড সূত্র জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই খায়রুল ইসলাম হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। এরপর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আজ ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রয়াত খায়রুল ইসলামের বন্ধু জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) উপাচার্য ম তামিম জানান, ডা. খায়রুল ইসলামের ছেলে অর্ক যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আসছেন। আগামীকাল শনিবার বাদ আছর গুলশানের আজাদ মসজিদে তাঁর জানাজা হবে। তাঁকে রায়েরবাজারে দাফন করা হতে পারে।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাশাস্ত্রে স্নাতক খায়রুল ইসলাম স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন নিপসম ও বোস্টন থেকে। তিনি ছিলেন লেখক ও গবেষক। জনস্বাস্থ্য খাত নিয়ে দেশে ও বিদেশ থেকে তাঁর একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে। প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিকাশ’ বইটির সম্পাদনা পরিষদের সদস্য এবং প্রদায়ক ছিলেন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস প্রকাশিত স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতিবিষয়ক বই এবং ‘মুজিবপিডিয়া’য় স্বাস্থ্য খাতের প্রদায়ক ছিলেন।
বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামানের সঙ্গে যৌথভাবে লেখেন প্রথম প্রকাশন থেকে প্রকাশিত ‘মুক্তিযুদ্ধের চিকিৎসা ইতিহাস’ বইটি। দুজনের পাঁচ বছরের গবেষণাকাজ ছিল এ বই। ২০২২ সালে বইটি প্রকাশিত হয়।
মোড়ক উন্মোচন করা হলো মুক্তিযুদ্ধের চিকিৎসা ইতিহাস বইয়ের। প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বাঁ থেকে খায়রুল ইসলাম, শাহাদুজ্জামান, জাফরুল্লাহ চৌধুরী, পদ্মা রহমান, এ বি এম খুরশীদ আলম ও মতিউর রহমান। গতকাল শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে
দেশের পানি ও স্যানিটেশন খাতের উন্নয়নে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন খায়রুল ইসলাম। ছিলেন সজ্জন, সদালাপী। এ মাসেই ওয়াটারএইড, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে তাঁর অবসর নেওয়ার কথা ছিল। খায়রুল ইসলাম বিভিন্ন সময় চিকিৎসা, ওয়াশ খাতসহ সামাজিক নানা বিষয়ে সংবাদপত্রে কলাম লিখতেন।
ওয়াটারএইডের বাংলাদেশীয় প্রধান হাসিন জাহান তাঁর ফেসবুক পোস্টে জানান, খায়রুল ইসলামের মরদেহ আজ বারডেমের মরচুয়ারিতে নিয়ে যাওয়া হবে। খায়রুল ইসলামের প্রবাসী ছেলের দেশে ফেরা পর্যন্ত সেখানেই মরদেহ রাখা হবে। খায়রুল ইসলাম মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
ওয়াটারএইড সূত্র জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই খায়রুল ইসলাম হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। এরপর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আজ ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রয়াত খায়রুল ইসলামের বন্ধু জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এবং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) উপাচার্য ম তামিম জানান, ডা. খায়রুল ইসলামের ছেলে অর্ক যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আসছেন। আগামীকাল শনিবার বাদ আছর গুলশানের আজাদ মসজিদে তাঁর জানাজা হবে। তাঁকে রায়েরবাজারে দাফন করা হতে পারে।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাশাস্ত্রে স্নাতক খায়রুল ইসলাম স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন নিপসম ও বোস্টন থেকে। তিনি ছিলেন লেখক ও গবেষক। জনস্বাস্থ্য খাত নিয়ে দেশে ও বিদেশ থেকে তাঁর একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে। প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিকাশ’ বইটির সম্পাদনা পরিষদের সদস্য এবং প্রদায়ক ছিলেন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস প্রকাশিত স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতিবিষয়ক বই এবং ‘মুজিবপিডিয়া’য় স্বাস্থ্য খাতের প্রদায়ক ছিলেন।
বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামানের সঙ্গে যৌথভাবে লেখেন প্রথম প্রকাশন থেকে প্রকাশিত ‘মুক্তিযুদ্ধের চিকিৎসা ইতিহাস’ বইটি। দুজনের পাঁচ বছরের গবেষণাকাজ ছিল এ বই। ২০২২ সালে বইটি প্রকাশিত হয়।
মোড়ক উন্মোচন করা হলো মুক্তিযুদ্ধের চিকিৎসা ইতিহাস বইয়ের। প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বাঁ থেকে খায়রুল ইসলাম, শাহাদুজ্জামান, জাফরুল্লাহ চৌধুরী, পদ্মা রহমান, এ বি এম খুরশীদ আলম ও মতিউর রহমান। গতকাল শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে
দেশের পানি ও স্যানিটেশন খাতের উন্নয়নে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছেন খায়রুল ইসলাম। ছিলেন সজ্জন, সদালাপী। এ মাসেই ওয়াটারএইড, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে তাঁর অবসর নেওয়ার কথা ছিল। খায়রুল ইসলাম বিভিন্ন সময় চিকিৎসা, ওয়াশ খাতসহ সামাজিক নানা বিষয়ে সংবাদপত্রে কলাম লিখতেন।
ওয়াটারএইডের বাংলাদেশীয় প্রধান হাসিন জাহান তাঁর ফেসবুক পোস্টে জানান, খায়রুল ইসলামের মরদেহ আজ বারডেমের মরচুয়ারিতে নিয়ে যাওয়া হবে। খায়রুল ইসলামের প্রবাসী ছেলের দেশে ফেরা পর্যন্ত সেখানেই মরদেহ রাখা হবে। খায়রুল ইসলাম মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন