বগুড়ায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ মারুফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত আব্দুল খালেক (৫১) শেরপুর উপজেলার বাগড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন বলে বগুড়া শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আলী আসগর জানিয়েছেন।
মামলার বরাতে পিপি বলেন, ২০২০ সালের ৩১ অক্টোবর ভুক্তভোগী শিশুর মা ও আসামির দ্বিতীয় স্ত্রী বাদী হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। শিশুটি তার বাবা ও সৎমা (আসামির তৃতীয় স্ত্রী) সঙ্গে একটি ভাড়া বাসায় থাকত।
২১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে প্রতিদিনের মতো সৎ মা স্থানীয় একটি চাতালে ধান সেদ্ধ করতে গেলে ওই সময় আসামি তার মেয়েকে ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনাটি কাউকে জানালে পরিণতি ভালো হবে না বলে শিশুটিকে হুমকি দেন।
ওই ঘটনার পরে শিশুটির আচরণে পরিবর্তন আসে। সে বাড়ির কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সৎ মা তাকে মারধর করতে থাকে। এক পর্যায়ে শিশুটি তার সৎ মাকে ঘটনাটি জানায়। স্বামীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ বিশ্বাস না করে তিনি অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন।
অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে শিশুটি তার মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে তিনি গ্রামের বাসিন্দাদের সহযোগিতা থানায় মামলা করেন।
অ্যাডভোকেট আলী আসগর বলেন, “সব সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন শেষে আদালত একমাত্র আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এনআইএন
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ মারুফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত আব্দুল খালেক (৫১) শেরপুর উপজেলার বাগড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন বলে বগুড়া শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আলী আসগর জানিয়েছেন।
মামলার বরাতে পিপি বলেন, ২০২০ সালের ৩১ অক্টোবর ভুক্তভোগী শিশুর মা ও আসামির দ্বিতীয় স্ত্রী বাদী হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। শিশুটি তার বাবা ও সৎমা (আসামির তৃতীয় স্ত্রী) সঙ্গে একটি ভাড়া বাসায় থাকত।
২১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে প্রতিদিনের মতো সৎ মা স্থানীয় একটি চাতালে ধান সেদ্ধ করতে গেলে ওই সময় আসামি তার মেয়েকে ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনাটি কাউকে জানালে পরিণতি ভালো হবে না বলে শিশুটিকে হুমকি দেন।
ওই ঘটনার পরে শিশুটির আচরণে পরিবর্তন আসে। সে বাড়ির কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সৎ মা তাকে মারধর করতে থাকে। এক পর্যায়ে শিশুটি তার সৎ মাকে ঘটনাটি জানায়। স্বামীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ বিশ্বাস না করে তিনি অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন।
অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে শিশুটি তার মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে তিনি গ্রামের বাসিন্দাদের সহযোগিতা থানায় মামলা করেন।
অ্যাডভোকেট আলী আসগর বলেন, “সব সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন শেষে আদালত একমাত্র আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এনআইএন