দেশের বাজারে গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরাসরি দরপত্র ছাড়া ১৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ক্রয়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে মোট সাতটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দু-কার্গো করে এই এলএনজি আনা হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনীতি বিষয়ক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই সংক্রান্ত প্রস্তাবটি অনুমোদন পায়।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই উদ্যোগের ফলে দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কারখানা ও অন্যান্য খাতে গ্যাসের সংকট অনেকটাই লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা, ২০২৫-এর সংশ্লিষ্ট বিধিগুলো অনুসরণ করেই এই কেনাকাটা সম্পন্ন করা হবে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।
চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পর নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে কার্গোগুলো দেশে এসে পৌঁছাবে। উল্লেখ্য, অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ ও গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় সরকার দীর্ঘদিন ধরেই আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভর করে আসছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বুধবার (১৯ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনীতি বিষয়ক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই সংক্রান্ত প্রস্তাবটি অনুমোদন পায়।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই উদ্যোগের ফলে দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কারখানা ও অন্যান্য খাতে গ্যাসের সংকট অনেকটাই লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা, ২০২৫-এর সংশ্লিষ্ট বিধিগুলো অনুসরণ করেই এই কেনাকাটা সম্পন্ন করা হবে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।
চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পর নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে কার্গোগুলো দেশে এসে পৌঁছাবে। উল্লেখ্য, অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ ও গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় সরকার দীর্ঘদিন ধরেই আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভর করে আসছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে