নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে মধ্যরাতে শুরু হওয়া মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুরে ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ মোট নয়জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজন বহিরাগতকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের একটি পক্ষের হামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলতে থাকে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা হাতে কয়েকজন বহিরাগতকেও অংশ নিতে দেখা যায়। বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টরসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁদের উপস্থিতিতেও কিছু সময় সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরে আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পাশাপাশি কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বহিরাগতদের প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়া হয় এবং একজনকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।
দুপুরের সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীরা হলেন ১৫তম ব্যাচের শামীম হোসেন, আইসিই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের সোহাগ চাকমা, টিএইচএম বিভাগের ১৭তম ব্যাচের মাহমুদুল হাসান অন্তর, ডিবিএ বিভাগের ১৭তম ব্যাচের কাইফ হাসান এবং ডিবিএ বিভাগের ১৮তম ব্যাচের জহির হোসেন। এ সময় দায়িত্ব পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের এক সাংবাদিকও আহত হন।
এর আগে ভোররাতে হামলার ঘটনায় পরিসংখ্যান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আনিসুর রহমান সিফাত, ফলিত গণিত বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম হাসান এবং কৃষি বিভাগের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম আহত হন। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দুই সাংবাদিককে হেনস্তা করার অভিযোগও ওঠে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, “ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করতে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতেই আমি নিজে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। প্রশাসন, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একসঙ্গে কাজ করছেন।”
তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে অতিরিক্ত বাইরের কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজন নেই। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
গত রাতের ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, “আজকের ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরপরই আমি সরেজমিনে পরিদর্শনে আসি। অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা ইতিমধ্যেই দূর করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের একটি পক্ষের হামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলতে থাকে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা হাতে কয়েকজন বহিরাগতকেও অংশ নিতে দেখা যায়। বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টরসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁদের উপস্থিতিতেও কিছু সময় সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরে আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পাশাপাশি কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বহিরাগতদের প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়া হয় এবং একজনকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।
দুপুরের সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীরা হলেন ১৫তম ব্যাচের শামীম হোসেন, আইসিই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের সোহাগ চাকমা, টিএইচএম বিভাগের ১৭তম ব্যাচের মাহমুদুল হাসান অন্তর, ডিবিএ বিভাগের ১৭তম ব্যাচের কাইফ হাসান এবং ডিবিএ বিভাগের ১৮তম ব্যাচের জহির হোসেন। এ সময় দায়িত্ব পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের এক সাংবাদিকও আহত হন।
এর আগে ভোররাতে হামলার ঘটনায় পরিসংখ্যান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আনিসুর রহমান সিফাত, ফলিত গণিত বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম হাসান এবং কৃষি বিভাগের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম আহত হন। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দুই সাংবাদিককে হেনস্তা করার অভিযোগও ওঠে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, “ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করতে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতেই আমি নিজে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। প্রশাসন, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একসঙ্গে কাজ করছেন।”
তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে অতিরিক্ত বাইরের কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজন নেই। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
গত রাতের ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, “আজকের ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরপরই আমি সরেজমিনে পরিদর্শনে আসি। অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা ইতিমধ্যেই দূর করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে