পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান একদিন আবার ভারতের সঙ্গে একীভূত হবে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের যোগগুরু রামদেব। এজন্য ভারতীয়দের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) ছত্তিশগড়ের রায়পুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রায়পুরের স্বামী বিবেকানন্দ বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রামদেব বলেন, ভারতীয়দের শুধু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে। একসময় পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান আবার ভারতের অংশ হয়ে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ভারতে নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন।
এ সময় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন রামদেব। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, দুই দেশেই হিন্দুরা নির্যাতন ও অবিচারের শিকার হয়েছেন। তাঁর দাবি, এ ধরনের ঘটনা মানবসভ্যতার ইতিহাসে গুরুতর নিষ্ঠুরতার উদাহরণ।
ধর্মান্তর এবং তা ঠেকাতে ছত্তিশগড়ে প্রণীত আইন নিয়েও মন্তব্য করেন এই যোগগুরু। তাঁর ভাষ্য, হিন্দু, মুসলিম কিংবা খ্রিস্টানদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগকে অনেক সময় রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে ভবিষ্যতে কোনো ধর্মের মানুষ যাতে নির্যাতনের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রামদেব আরও বলেন, ভারতে কোনো ধর্মই অস্তিত্বের সংকটে নেই। হিন্দুধর্ম, ইসলাম কিংবা খ্রিস্টধর্ম কোনোটিই হুমকির মুখে নেই বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, বরং দেশের সম্মান ও মর্যাদাই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বের বিষয়।
রামদেবের বক্তব্যের বিভিন্ন অংশ নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী তিন দেশকে ভারতের সঙ্গে পুনরায় একীভূত করার মন্তব্যটি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে তাঁর এ বক্তব্যের বিষয়ে বাংলাদেশ বা পাকিস্তান সরকারের কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সোমবার (১৭ আগস্ট) ছত্তিশগড়ের রায়পুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রায়পুরের স্বামী বিবেকানন্দ বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রামদেব বলেন, ভারতীয়দের শুধু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে। একসময় পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান আবার ভারতের অংশ হয়ে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ভারতে নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন।
এ সময় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন রামদেব। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, দুই দেশেই হিন্দুরা নির্যাতন ও অবিচারের শিকার হয়েছেন। তাঁর দাবি, এ ধরনের ঘটনা মানবসভ্যতার ইতিহাসে গুরুতর নিষ্ঠুরতার উদাহরণ।
ধর্মান্তর এবং তা ঠেকাতে ছত্তিশগড়ে প্রণীত আইন নিয়েও মন্তব্য করেন এই যোগগুরু। তাঁর ভাষ্য, হিন্দু, মুসলিম কিংবা খ্রিস্টানদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগকে অনেক সময় রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে ভবিষ্যতে কোনো ধর্মের মানুষ যাতে নির্যাতনের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রামদেব আরও বলেন, ভারতে কোনো ধর্মই অস্তিত্বের সংকটে নেই। হিন্দুধর্ম, ইসলাম কিংবা খ্রিস্টধর্ম কোনোটিই হুমকির মুখে নেই বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, বরং দেশের সম্মান ও মর্যাদাই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বের বিষয়।
রামদেবের বক্তব্যের বিভিন্ন অংশ নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী তিন দেশকে ভারতের সঙ্গে পুনরায় একীভূত করার মন্তব্যটি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে তাঁর এ বক্তব্যের বিষয়ে বাংলাদেশ বা পাকিস্তান সরকারের কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে