সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রডবোঝাই ট্রাক ও দুধবাহী পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাদ্দাম হোসেন (৩০) নামে এক পিকআপচালক নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর সময় মতো পুলিশ না আসার অভিযোগ তুলে মরদেহ সড়কে রেখে প্রায় ৪ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন অন্যান্য চালকেরা।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোরে উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের পাটধারী বাজার এলাকায় পাবনা-হাটিকুমরুল আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাদাম হোসেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার ছাদেক আলীর ছেলে। বিক্ষোভে মহাসড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে আসা রডবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা দুধবাহী পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপচালক সাদাম হোসেন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
দুর্ঘটনার পর ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মরদেহ সড়কে রেখে অন্যান্য চালকেরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে ওই সড়কে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর একাধিকবার থানায় খবর দেওয়া হলেও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। সময়মতো উদ্ধার করা সম্ভব হলে চালককে বাঁচানোর সুযোগ ছিল বলেও দাবি করেন তারা।
অভিযোগ অস্বীকার করে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আরব আলী বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সলঙ্গা থানায় মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোরে উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের পাটধারী বাজার এলাকায় পাবনা-হাটিকুমরুল আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাদাম হোসেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার ছাদেক আলীর ছেলে। বিক্ষোভে মহাসড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে আসা রডবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা দুধবাহী পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপচালক সাদাম হোসেন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
দুর্ঘটনার পর ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মরদেহ সড়কে রেখে অন্যান্য চালকেরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে ওই সড়কে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর একাধিকবার থানায় খবর দেওয়া হলেও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। সময়মতো উদ্ধার করা সম্ভব হলে চালককে বাঁচানোর সুযোগ ছিল বলেও দাবি করেন তারা।
অভিযোগ অস্বীকার করে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আরব আলী বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সলঙ্গা থানায় মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন