রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ার পদ্মা নদীতে জেলে লক্ষণ হালদারের জালে ধরা পড়েছে ৮ কেজি ওজনের একটি চিতল মাছ। মাছটি ১১ হাজার ৬৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে মানিকগঞ্জের পদ্মা নদীর মোহনায় মাছটি ধরা পড়ে।
মানিকগঞ্জের জেলে লক্ষণ হালদার বলেন, সোমবার রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে কয়েকজন মিলে নৌকা নিয়ে মাছ ধরার জন্য নদীতে জাল ফেলে বসে থাকি। এতে কোনো মাছ ধরা না পড়ায় সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে জালে জোরে একটা ধাক্কা দিলে বুঝতে পারি, জালে বড় কোনো মাছ ধরা পড়েছে। পরে জাল তুলে দেখি, বিশাল একটি চিতল মাছ ধরা পড়েছে।
তিনি বলেন, পরে সকাল ৭টার দিকে দৌলতদিয়ার মাছ বাজারের রেজাউলের আড়তে মাছটি নিয়ে যাই। দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী মাসুদ মোল্লা ১ হাজার ৪৫০ টাকা কেজি দরে মাছটি মোট ১১ হাজার ৬৫০ টাকা দিয়ে আমার কাছ থেকে কিনে নেন।
দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী মাসুদ মোল্লা বলেন, চিতল মাছটি ১ হাজার ৪৫০ টাকা কেজি দরে মোট ১১ হাজার ৬৫০ টাকায় দৌলতদিয়া মাছ বাজার থেকে আমি মাছটি কিনে নিয়েছি। পরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাবনার এক ব্যবসায়ীর কাছে কেজিতে ৫০ টাকা লাভ রেখে মাছটি বিক্রি করে দিয়েছি।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট যুগান্তরকে বলেন, পদ্মা নদীতে এখন খুব একটা বড় চিতল মাছ পাওয়া যায় না। তবে মাঝে মাঝে দু-একটি বড় মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে মানিকগঞ্জের পদ্মা নদীর মোহনায় মাছটি ধরা পড়ে।
মানিকগঞ্জের জেলে লক্ষণ হালদার বলেন, সোমবার রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে কয়েকজন মিলে নৌকা নিয়ে মাছ ধরার জন্য নদীতে জাল ফেলে বসে থাকি। এতে কোনো মাছ ধরা না পড়ায় সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে জালে জোরে একটা ধাক্কা দিলে বুঝতে পারি, জালে বড় কোনো মাছ ধরা পড়েছে। পরে জাল তুলে দেখি, বিশাল একটি চিতল মাছ ধরা পড়েছে।
তিনি বলেন, পরে সকাল ৭টার দিকে দৌলতদিয়ার মাছ বাজারের রেজাউলের আড়তে মাছটি নিয়ে যাই। দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী মাসুদ মোল্লা ১ হাজার ৪৫০ টাকা কেজি দরে মাছটি মোট ১১ হাজার ৬৫০ টাকা দিয়ে আমার কাছ থেকে কিনে নেন।
দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী মাসুদ মোল্লা বলেন, চিতল মাছটি ১ হাজার ৪৫০ টাকা কেজি দরে মোট ১১ হাজার ৬৫০ টাকায় দৌলতদিয়া মাছ বাজার থেকে আমি মাছটি কিনে নিয়েছি। পরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাবনার এক ব্যবসায়ীর কাছে কেজিতে ৫০ টাকা লাভ রেখে মাছটি বিক্রি করে দিয়েছি।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট যুগান্তরকে বলেন, পদ্মা নদীতে এখন খুব একটা বড় চিতল মাছ পাওয়া যায় না। তবে মাঝে মাঝে দু-একটি বড় মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন