সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গঠন করা হয়েছে। কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া। সোমবার(১৭ আগস্ট) রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁদের নাম জানানো হয়।
এর আগে বিকালে দুদকের নতুন কমিশন গঠনের জন্য সুপারিশকারী সার্চ কমিটি এ তিনজনের নাম চূড়ান্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেন, সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন দুদক কমিশন গঠনের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আইন অনুযায়ী, দুদকের চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারকের সমান বেতন, ভাতা, মর্যাদা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। আর দুই কমিশনার পাবেন সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান বেতন, ভাতা, মর্যাদা ও অন্যান্য সুযোগসুবিধা।
এ কে এম আসাদুজ্জামানএর আগে চলতি বছরের ৩ মার্চ দুদকের তৎকালীন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ পদত্যাগ করেন। এর পর থেকে দুদক কমিশনশূন্য ছিল। নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে পাঁচ মাসের অধিককাল পর পুনর্গঠিত হলো দুর্নীতি দমন কমিশন। নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি।
আর দুই কমিশনারের মধ্যে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান সরকারের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া আর্থিক প্রতিবেদন কাউন্সিলের (এফআরসি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাহাঙ্গীর আলম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদের সদস্য পরিচালক ছিলেন। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সাবেক সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতি, বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি এবং কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের আজীবন সদস্য। মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া বিসিএস (আয়কর) নবম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর কমিশনার। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
এর আগে বিকালে দুদকের নতুন কমিশন গঠনের জন্য সুপারিশকারী সার্চ কমিটি এ তিনজনের নাম চূড়ান্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেন, সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন দুদক কমিশন গঠনের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আইন অনুযায়ী, দুদকের চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারকের সমান বেতন, ভাতা, মর্যাদা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। আর দুই কমিশনার পাবেন সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান বেতন, ভাতা, মর্যাদা ও অন্যান্য সুযোগসুবিধা।
এ কে এম আসাদুজ্জামানএর আগে চলতি বছরের ৩ মার্চ দুদকের তৎকালীন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ পদত্যাগ করেন। এর পর থেকে দুদক কমিশনশূন্য ছিল। নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে পাঁচ মাসের অধিককাল পর পুনর্গঠিত হলো দুর্নীতি দমন কমিশন। নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি।
আর দুই কমিশনারের মধ্যে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান সরকারের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া আর্থিক প্রতিবেদন কাউন্সিলের (এফআরসি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাহাঙ্গীর আলম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদের সদস্য পরিচালক ছিলেন। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সাবেক সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতি, বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি এবং কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের আজীবন সদস্য। মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া বিসিএস (আয়কর) নবম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর কমিশনার। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন