বরগুনা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে। নিয়মিত ময়লা সংগ্রহ না করা, পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাব এবং বর্জ্য পরিবহনে অনিয়মের কারণে পুরো শহরে দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, বাজার ও প্রধান সড়কগুলোর পাশে ময়লার স্তূপ জমে থাকায় পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মশা-মাছি ও রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।
স্থানীয় নাগরিকদের মতে, পৌরসভার সদর রোড, ডিসি অফিস সংলগ্ন এলাকা এবং বাজার সড়কের কিছুটা পরিচ্ছন্ন রাখা হলেও অলিগলির চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রায় ১৫ বছর আগে দেওয়া ডাস্টবিন প্রথা এখন নিষ্ক্রিয় থাকায় বাধ্য হয়ে অনেক পরিবার খোলা জায়গায় ময়লা ফেলছেন। পর্যাপ্ত ডাস্টবিন ও কমিউনিটি কনটেইনার না থাকায় ময়লা উপচে পড়ে রাস্তায় ছড়াচ্ছে, যা বৃষ্টি ও গরমে চরম ভোগান্তি তৈরি করে।
যানবাহন ও জনবল সংকটকে সমস্যা হিসেবে দেখাচ্ছে পৌর কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগে যেখানে ২২টি বর্জ্যবাহী গাড়ি ছিল, বর্তমানে সেখানে চালু রয়েছে মাত্র ১৬টি। ফলে নিয়মিত বর্জ্য পরিবহন সম্ভব হচ্ছে না এবং চলাচলের সময়ও রাস্তায় আবর্জনা পড়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
এদিকে, সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) বরগুনা টিমের সদস্য নূরে জান্নাত সাবরিনা, মো. ইউসুফ সাগর, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আলম ও মেসবাহ উদ্দিন গত তিন মাস ধরে মাঠপর্যায়ে বরগুনার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্বিক সংকট পর্যবেক্ষণ ও সচেতনতামূলক কাজ করছেন।
বরগুনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মো. সালেহ এবং জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কামাল জানান, পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে নাগরিকদের সচেতনতার পাশাপাশি পৌরসভাকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। জনবল ও যানবাহন বাড়িয়ে দ্রুত দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
স্থানীয় নাগরিকদের মতে, পৌরসভার সদর রোড, ডিসি অফিস সংলগ্ন এলাকা এবং বাজার সড়কের কিছুটা পরিচ্ছন্ন রাখা হলেও অলিগলির চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রায় ১৫ বছর আগে দেওয়া ডাস্টবিন প্রথা এখন নিষ্ক্রিয় থাকায় বাধ্য হয়ে অনেক পরিবার খোলা জায়গায় ময়লা ফেলছেন। পর্যাপ্ত ডাস্টবিন ও কমিউনিটি কনটেইনার না থাকায় ময়লা উপচে পড়ে রাস্তায় ছড়াচ্ছে, যা বৃষ্টি ও গরমে চরম ভোগান্তি তৈরি করে।
যানবাহন ও জনবল সংকটকে সমস্যা হিসেবে দেখাচ্ছে পৌর কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগে যেখানে ২২টি বর্জ্যবাহী গাড়ি ছিল, বর্তমানে সেখানে চালু রয়েছে মাত্র ১৬টি। ফলে নিয়মিত বর্জ্য পরিবহন সম্ভব হচ্ছে না এবং চলাচলের সময়ও রাস্তায় আবর্জনা পড়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
এদিকে, সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) বরগুনা টিমের সদস্য নূরে জান্নাত সাবরিনা, মো. ইউসুফ সাগর, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আলম ও মেসবাহ উদ্দিন গত তিন মাস ধরে মাঠপর্যায়ে বরগুনার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্বিক সংকট পর্যবেক্ষণ ও সচেতনতামূলক কাজ করছেন।
বরগুনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মো. সালেহ এবং জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কামাল জানান, পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে নাগরিকদের সচেতনতার পাশাপাশি পৌরসভাকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। জনবল ও যানবাহন বাড়িয়ে দ্রুত দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে