মানসম্পন্ন, নিরাপদ ও কার্যকর টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ওষুধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার কার্যক্রম জোরদার করেছে বাংলাদেশ। দেশীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বৈশ্বিক মানদণ্ড ‘ম্যাচিউরিটি লেভেল-৩’ (এমএল-৩) অর্জনে কাজ চলছে।
গত ১৩ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় এই কার্যক্রমের অগ্রগতি, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও অগ্রাধিকারসমূহ নিয়ে আলোচনা হয়।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, ‘ইনস্টিটিউশনাল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আনুষ্ঠানিক মূল্যায়নের জন্য প্রস্তুত হওয়া এখন বাংলাদেশের লক্ষ্য।
বাংলাদেশে নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন টিকা এবং অন্যান্য চিকিৎসা উপকরণের সরবরাহ সুনিশ্চিত করতে ডব্লিউএইচও প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ সরকার ও ডিজিডিএ-র সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব মো. আলমগীর হোসেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি ড. রাজেশ নারওয়াল, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ডিজিডিএ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
গত ১৩ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় এই কার্যক্রমের অগ্রগতি, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও অগ্রাধিকারসমূহ নিয়ে আলোচনা হয়।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, ‘ইনস্টিটিউশনাল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আনুষ্ঠানিক মূল্যায়নের জন্য প্রস্তুত হওয়া এখন বাংলাদেশের লক্ষ্য।
বাংলাদেশে নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন টিকা এবং অন্যান্য চিকিৎসা উপকরণের সরবরাহ সুনিশ্চিত করতে ডব্লিউএইচও প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ সরকার ও ডিজিডিএ-র সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব মো. আলমগীর হোসেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি ড. রাজেশ নারওয়াল, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ডিজিডিএ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন