সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ‘যে কোনো মুহূর্তে’ নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
তবে তাতে করে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে সাধারণ জনগণের জন্য পরিস্থিতি আরও ‘কষ্টকর’ হয়ে উঠবে, সেটাও তিনি মানছেন।
রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখ্য সচিব বলেন, “পে-স্কেল তো বিবেচনাধীন আছে এবং সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটা আমরা বাস্তবায়ন করব। এটা চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে, যে কোনো মুহূর্তেই পে-স্কেল ঘোষণা হতে পারে।”
নানামুখী চাপে থাকা অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি হর গত চার বছর ধরে নয় শতাংশের আশেপাশে ওঠানামা করেছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আব্দুস সাত্তার এই হার আরো বাড়ার ঝুঁকির বিষয়টি মেনে নেন।
তিনি বলেন, “সেটাও আমাদের বিবেচনায় আছে, কী করতে হবে। সাধারণত পাঁচ-ছয়বছর পরপর পে-স্কেল দেওয়ার কথা। বিগত সরকার ১১ বছর যাবত কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করেনি। যার ফলে এই ১৮ লক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাপের মধ্যে আছি আমরা। তারা তো কর্মকর্তা-কর্মচারী, এখন মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের বেতন বাড়াতে হবে।
“এটা হয়ত জনগণের জন্য একটু কষ্টকর হবে। কিন্তু এটাও তো ঠিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাদের জীবনযাত্রার যে সমন্বয়, সেটি দাবি করে। এবং এটার ধারাবাহিকতা হচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে হওয়ার কথা। আজকে প্রায় ১২ বছর হয়ে যাচ্ছে।”
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ২০ দিন আগে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করে নবম জাতীয় বেতন কমিশন।
২০১৩ সালে অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের পর দীর্ঘ ১২ বছর পরে নতুন বেতন কমিশন গঠিত হয়। এ বছর ২১ জানুয়ারি কমিশন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করে।
রোববারের আলোচনায় এ বি এম আব্দুস সাত্তারের কাছে সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়েও প্রশ্ন রাখেন সাংবাদিকরা। সেখানে বাজারের শৃঙ্খল ভেঙে পড়া ও উর্ধ্বমুখী দাম প্রসঙ্গে মুখ্য সচিব বলেন, “বাজারে কিছু সমস্যা আছে, এটাও আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি। আপনারা লক্ষ্য করছেন যে, জ্বালানি এবং বিদ্যুতের কারণে হয়ত প্রডাকশন চেইনে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।”
সরকারের ছয় মাসে সবচেয়ে বেশি কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমাদের চ্যালেঞ্জ, আমাদের মেইন চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অর্থনীতি। অর্থনীতি ও ব্যাংক। লুটপাট হয়েছে, লক্ষ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। আমরা বেসরকারি খাতকে ব্যাংক থেকে সাপোর্ট দিতে পারছি না।
“সবকিছুর জন্য দায়ী হল বিগত সরকার। এখন সেই জায়গা থেকে ফিরে আসতে তো সময় দিতে হবে। এটাই হচ্ছে মূল কথা।”
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
তবে তাতে করে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে সাধারণ জনগণের জন্য পরিস্থিতি আরও ‘কষ্টকর’ হয়ে উঠবে, সেটাও তিনি মানছেন।
রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখ্য সচিব বলেন, “পে-স্কেল তো বিবেচনাধীন আছে এবং সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটা আমরা বাস্তবায়ন করব। এটা চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে, যে কোনো মুহূর্তেই পে-স্কেল ঘোষণা হতে পারে।”
নানামুখী চাপে থাকা অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি হর গত চার বছর ধরে নয় শতাংশের আশেপাশে ওঠানামা করেছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আব্দুস সাত্তার এই হার আরো বাড়ার ঝুঁকির বিষয়টি মেনে নেন।
তিনি বলেন, “সেটাও আমাদের বিবেচনায় আছে, কী করতে হবে। সাধারণত পাঁচ-ছয়বছর পরপর পে-স্কেল দেওয়ার কথা। বিগত সরকার ১১ বছর যাবত কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করেনি। যার ফলে এই ১৮ লক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাপের মধ্যে আছি আমরা। তারা তো কর্মকর্তা-কর্মচারী, এখন মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের বেতন বাড়াতে হবে।
“এটা হয়ত জনগণের জন্য একটু কষ্টকর হবে। কিন্তু এটাও তো ঠিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাদের জীবনযাত্রার যে সমন্বয়, সেটি দাবি করে। এবং এটার ধারাবাহিকতা হচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে হওয়ার কথা। আজকে প্রায় ১২ বছর হয়ে যাচ্ছে।”
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ২০ দিন আগে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করে নবম জাতীয় বেতন কমিশন।
২০১৩ সালে অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের পর দীর্ঘ ১২ বছর পরে নতুন বেতন কমিশন গঠিত হয়। এ বছর ২১ জানুয়ারি কমিশন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করে।
রোববারের আলোচনায় এ বি এম আব্দুস সাত্তারের কাছে সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়েও প্রশ্ন রাখেন সাংবাদিকরা। সেখানে বাজারের শৃঙ্খল ভেঙে পড়া ও উর্ধ্বমুখী দাম প্রসঙ্গে মুখ্য সচিব বলেন, “বাজারে কিছু সমস্যা আছে, এটাও আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি। আপনারা লক্ষ্য করছেন যে, জ্বালানি এবং বিদ্যুতের কারণে হয়ত প্রডাকশন চেইনে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।”
সরকারের ছয় মাসে সবচেয়ে বেশি কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমাদের চ্যালেঞ্জ, আমাদের মেইন চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অর্থনীতি। অর্থনীতি ও ব্যাংক। লুটপাট হয়েছে, লক্ষ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। আমরা বেসরকারি খাতকে ব্যাংক থেকে সাপোর্ট দিতে পারছি না।
“সবকিছুর জন্য দায়ী হল বিগত সরকার। এখন সেই জায়গা থেকে ফিরে আসতে তো সময় দিতে হবে। এটাই হচ্ছে মূল কথা।”
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে