পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। এ সময় ডাকাতদের গুলিতে প্রবাসী মাহিন হাওলাদারের ছেলে মো. নাইম (২২) বিদ্ধ হয়েছেন। তার বাম পায়ে গুলি করা হয়েছে। এছাড়া প্রবাসীর স্ত্রী, পুত্রবধূ ও দুই বছরের শিশুকে মারধর করা হয়। পরে শিশুটির মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও একটি আইফোন লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতদল। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক তিন টার দিকে কলাপাড়া পৌরসভা ঘেঁষা টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ ডাকাতি হয়েছে।
ডাকাতের মারধরে গুলিবিদ্ধ মো. নাইম (২২), তাঁর মা রুমা বেগম (৪০), স্ত্রী রেজবি (১৮) এবং দুই বছরের শিশু তাসরিফ আহত হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের প্রথমে এদেরকে কলাপাড়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মারধরে আহত রুমা বেগম জানান, রাতের খাবার শেষে তারা সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক আড়াইটা থেকে তিন টার দিকে বাড়ির দক্ষিণ পাশের জানালার গ্রিল কেটে সশস্ত্র ডাকাত দলের চার সদস্য ভেতরে ঢুকে যায়। দলের অপর কয়েক সদস্য বাইরে সশস্ত্র পাহারায় ছিল। ঘরে ঢুকেই ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। হাত-পা বেঁধে মারধর শুরু করে। এ সময় নাইম বাধা দিলে তাঁর হাটু বরাবর গুলি করা হয়। এক পর্যায়ে দুই বছরের শিশু তাসরিফের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যার ভয় দেখায়। লুটে নেয় ১৪ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ কিছু টাকা ও একটি আইফোন। প্রায় ঘন্টাব্যাপী লুটপাট ও তান্ডব শেষে ডাকাতরা নির্বঘ্নে সটকে পড়ে। ডাকাত দলের অধিকাংশের শরীরের রঙ কালো ছিল। খাটো আকৃতির। পিস্তলধারীর শরীর শুকনো।
কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। ডাকাতির ঘটনায় জড়িতদের শণাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টার পাশাপাশি লুন্ঠিত মাল উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে লুন্ঠিত স্বর্ণালংকার কত ভরি হবে তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যাচাইবাছাই করা হচ্ছে। তবে চারজনে ঘরে ঢুকে মারধর লুটপাট চালায়। তবে স্বর্ণালংকারের পরিমাণ রাতে এবং এখন বলার ভিন্নতা রয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
ডাকাতের মারধরে গুলিবিদ্ধ মো. নাইম (২২), তাঁর মা রুমা বেগম (৪০), স্ত্রী রেজবি (১৮) এবং দুই বছরের শিশু তাসরিফ আহত হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের প্রথমে এদেরকে কলাপাড়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মারধরে আহত রুমা বেগম জানান, রাতের খাবার শেষে তারা সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক আড়াইটা থেকে তিন টার দিকে বাড়ির দক্ষিণ পাশের জানালার গ্রিল কেটে সশস্ত্র ডাকাত দলের চার সদস্য ভেতরে ঢুকে যায়। দলের অপর কয়েক সদস্য বাইরে সশস্ত্র পাহারায় ছিল। ঘরে ঢুকেই ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। হাত-পা বেঁধে মারধর শুরু করে। এ সময় নাইম বাধা দিলে তাঁর হাটু বরাবর গুলি করা হয়। এক পর্যায়ে দুই বছরের শিশু তাসরিফের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যার ভয় দেখায়। লুটে নেয় ১৪ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ কিছু টাকা ও একটি আইফোন। প্রায় ঘন্টাব্যাপী লুটপাট ও তান্ডব শেষে ডাকাতরা নির্বঘ্নে সটকে পড়ে। ডাকাত দলের অধিকাংশের শরীরের রঙ কালো ছিল। খাটো আকৃতির। পিস্তলধারীর শরীর শুকনো।
কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। ডাকাতির ঘটনায় জড়িতদের শণাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টার পাশাপাশি লুন্ঠিত মাল উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে লুন্ঠিত স্বর্ণালংকার কত ভরি হবে তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যাচাইবাছাই করা হচ্ছে। তবে চারজনে ঘরে ঢুকে মারধর লুটপাট চালায়। তবে স্বর্ণালংকারের পরিমাণ রাতে এবং এখন বলার ভিন্নতা রয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে