প্রথম সংসার ভাঙার প্রায় এক দশক পর দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন মডেল-অভিনেত্রী সোহানা সাবা। তার বরের নাম ফয়সাল। তবে এবার শোবিজ অঙ্গনের কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেননি। বরং একজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন এই অভিনেত্রী।
প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় আগে গোপনে বিয়ে করেন সাবা-ফয়সাল। পারিবারিকভাবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলেও শোবিজ অঙ্গনের মানুষ জানতেন না বললেই চলে! কয়েক দিন আগে আড়ালের খবরটি প্রকাশ্যে এনে ভক্ত-অনুরাগীদের চমকে দিয়েছেন তিনি। ফলে তাকে নিয়ে বেশ চর্চায় মেতেছেন নেটিজেনরা।
সোহানা সাবার জন্ম ঢাকায়। আজিমপুর লেডিস ক্লাব কিন্ডার গার্ডেনে তার শিক্ষাজীবন শুরু। ২০০২ সালে ঢাকা ল্যাবরেটরি স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। ২০০৪ সালে ঢাকা মহিলা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি থেকে ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি নেন সাবা।
বুলবুল ললিতাকলা একাডেমি ও ছায়ানট থেকে ক্ল্যাসিক্যাল নাচে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন সোহানা সাবা। নৃত্যশিল্পী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন সাবা। পরবর্তীতে টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটকে পা রাখেন এই অভিনেত্রী। এসব ছাপিয়ে বড়পর্দাতেও আলো ছড়ান সাবা।
ক্যারিয়ারের সূচনা নিয়ে সোহানা সাবা বলেন, “আমি সবসময়ই একজন অভিনেত্রী হতে চেয়েছি। ১৪ বছর শাস্ত্রীয় নাচ শিখেছি। মঞ্চে পারফর্ম করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে ক্যামেরার সামনেও জড়তা কাটিয়ে ওঠি। তাই আমি যখন অভিনয়জীবন শুরু করি, তখন ক্যামেরার সামনে অভিনয় করা আমার জন্য সহজ ছিল।”
টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়ার পর বড়পর্দায়ও নিজের অবস্থান তৈরি করেন সোহানা সাবা। কবরী পরিচালিত ‘আয়না’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন। এটি ২০০৬ সালের ঘটনা। তবে মোরশেদুল ইসলামের ‘খেলাঘর’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক ঘটে। কারণ এ সিনেমা মুক্তির এক মাস পর মুক্তি পায় ‘আয়না’।
এরপর সোহানা সাবা অভিনয় করেন ‘চন্দ্রগ্রহণ’, ‘প্রিয়তমেষু’, ‘বৃহন্নলা’ ও ‘অসম্ভব’ সিনেমায়। ভারতীয় বাংলা সিনেমায়ও কাজ করেছেন তিনি। ‘ষড়রিপু’, ‘এপার–ওপার’সহ আরো একটি নাম ঠিক না হওয়া সিনেমায় অভিনয় করেছেন। আফজাল হোসেন পরিচালিত ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’ সিনেমায়ও দেখা গেছে তাকে। ২০২১ সালে ‘বলি’ দিয়ে ওয়েব দুনিয়ায় পা রাখেন সোহানা সাবা। আর এসব সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক-সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়ান এই তারকা।
সোহানা সাবার ক্যারিয়ার যেমন ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী হয়, তেমনই ব্যক্তিগত জীবনেও নানা সমীকরণ মিলেছে। কারণ কাজ করতে গিয়ে পরিচালক মুরাদ পারভেজের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান সোহানা সাবা। পরবর্তীতে বিয়ে করে ঘর বাঁধেন তারা। ২০১৪ সালের ১৮ অক্টোবর এ যুগলের সংসার আলো করে জন্ম নেয় একটি পুত্রসন্তান। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
প্রথম সংসারের ইতি টানার পর নানা ধরনের টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন সোহানা সাবা। ছেলেকে সিঙ্গেল মাদার হিসেবে বড় করছেন বলেও এর আগে জানিয়েছেন তিনি। এরপর ব্যক্তিগত জীবনে অনেক দিন একা ছিলেন সাবা। তারপর ফয়সালের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান।
সোহানা সাবা জানান, ফয়সালের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল সাড়ে পাঁচ বছর। দীর্ঘদিন সম্পর্কে থাকার পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা। নিজেদের বাসায়ই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন। বিবাহিত জীবন নিয়ে সোহানা সাবা বলেন, “আমরা ভালো আছি। সাড়ে পাঁচ বছরের সম্পর্ক। বিয়ে অনেক আগে হয়েছে। দিন-তারিখ বলতে চাই না। আমার ছেলেও অনেক খুশি।”
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় আগে গোপনে বিয়ে করেন সাবা-ফয়সাল। পারিবারিকভাবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলেও শোবিজ অঙ্গনের মানুষ জানতেন না বললেই চলে! কয়েক দিন আগে আড়ালের খবরটি প্রকাশ্যে এনে ভক্ত-অনুরাগীদের চমকে দিয়েছেন তিনি। ফলে তাকে নিয়ে বেশ চর্চায় মেতেছেন নেটিজেনরা।
সোহানা সাবার জন্ম ঢাকায়। আজিমপুর লেডিস ক্লাব কিন্ডার গার্ডেনে তার শিক্ষাজীবন শুরু। ২০০২ সালে ঢাকা ল্যাবরেটরি স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। ২০০৪ সালে ঢাকা মহিলা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি থেকে ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি নেন সাবা।
বুলবুল ললিতাকলা একাডেমি ও ছায়ানট থেকে ক্ল্যাসিক্যাল নাচে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন সোহানা সাবা। নৃত্যশিল্পী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন সাবা। পরবর্তীতে টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটকে পা রাখেন এই অভিনেত্রী। এসব ছাপিয়ে বড়পর্দাতেও আলো ছড়ান সাবা।
ক্যারিয়ারের সূচনা নিয়ে সোহানা সাবা বলেন, “আমি সবসময়ই একজন অভিনেত্রী হতে চেয়েছি। ১৪ বছর শাস্ত্রীয় নাচ শিখেছি। মঞ্চে পারফর্ম করার মাধ্যমে ধীরে ধীরে ক্যামেরার সামনেও জড়তা কাটিয়ে ওঠি। তাই আমি যখন অভিনয়জীবন শুরু করি, তখন ক্যামেরার সামনে অভিনয় করা আমার জন্য সহজ ছিল।”
টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়ার পর বড়পর্দায়ও নিজের অবস্থান তৈরি করেন সোহানা সাবা। কবরী পরিচালিত ‘আয়না’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন। এটি ২০০৬ সালের ঘটনা। তবে মোরশেদুল ইসলামের ‘খেলাঘর’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক ঘটে। কারণ এ সিনেমা মুক্তির এক মাস পর মুক্তি পায় ‘আয়না’।
এরপর সোহানা সাবা অভিনয় করেন ‘চন্দ্রগ্রহণ’, ‘প্রিয়তমেষু’, ‘বৃহন্নলা’ ও ‘অসম্ভব’ সিনেমায়। ভারতীয় বাংলা সিনেমায়ও কাজ করেছেন তিনি। ‘ষড়রিপু’, ‘এপার–ওপার’সহ আরো একটি নাম ঠিক না হওয়া সিনেমায় অভিনয় করেছেন। আফজাল হোসেন পরিচালিত ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’ সিনেমায়ও দেখা গেছে তাকে। ২০২১ সালে ‘বলি’ দিয়ে ওয়েব দুনিয়ায় পা রাখেন সোহানা সাবা। আর এসব সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক-সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়ান এই তারকা।
সোহানা সাবার ক্যারিয়ার যেমন ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী হয়, তেমনই ব্যক্তিগত জীবনেও নানা সমীকরণ মিলেছে। কারণ কাজ করতে গিয়ে পরিচালক মুরাদ পারভেজের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান সোহানা সাবা। পরবর্তীতে বিয়ে করে ঘর বাঁধেন তারা। ২০১৪ সালের ১৮ অক্টোবর এ যুগলের সংসার আলো করে জন্ম নেয় একটি পুত্রসন্তান। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
প্রথম সংসারের ইতি টানার পর নানা ধরনের টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন সোহানা সাবা। ছেলেকে সিঙ্গেল মাদার হিসেবে বড় করছেন বলেও এর আগে জানিয়েছেন তিনি। এরপর ব্যক্তিগত জীবনে অনেক দিন একা ছিলেন সাবা। তারপর ফয়সালের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান।
সোহানা সাবা জানান, ফয়সালের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল সাড়ে পাঁচ বছর। দীর্ঘদিন সম্পর্কে থাকার পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা। নিজেদের বাসায়ই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন। বিবাহিত জীবন নিয়ে সোহানা সাবা বলেন, “আমরা ভালো আছি। সাড়ে পাঁচ বছরের সম্পর্ক। বিয়ে অনেক আগে হয়েছে। দিন-তারিখ বলতে চাই না। আমার ছেলেও অনেক খুশি।”
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন