জাপানের চিবা প্রিফেকচারে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী টোকিওর নারিতা বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষ রাতভর আটকা পড়েছেন বলে শুক্রবার জানিয়েছে বিবিসি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টোকিওর ঠিক পাশেই অবস্থিত এই প্রিফেকচারে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি আগস্ট মাসের গড় বৃষ্টিপাতের প্রায় তিনগুণ এবং দেশটিতে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।
এই প্রবল বর্ষণে রেল, বাস ও ট্যাক্সি পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেছে এবং চিবার ২০ হাজারেরও বেশি পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের চিবার গভর্নর তোশিহিতো কুমাগাই বলেন, “জাপানের ঐতিহাসিক আবহাওয়ার মানদণ্ডেও এই ঘটনাটি ছিল অত্যন্ত অস্বাভাবিক। আমি অতীতে অনেক দুর্যোগ মোকাবিলা করেছি, কিন্তু এমন ঘটনার সম্মুখীন আগে কখনো হইনি। আমরা জীবন বাঁচানোকে অগ্রাধিকার দেব এবং উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাব।”
বৃহস্পতিবারের প্রবল বর্ষণের কারণে আবহাওয়া সংস্থা তাদের নির্ধারিত মাত্রার সর্বোচ্চ স্তর, অর্থাৎ লেভেল ৫ জরুরি সতর্কতা জারি করেছিল। তবে শুক্রবার সকালের মধ্যে এই সতর্কতা স্তর ৪-এ নামিয়ে আনা হয়। অবশ্য কর্তৃপক্ষ ভূমিধস, বন্যা এবং নদীর পানি বাড়ার বিষয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়ে চলেছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টোকিওর ঠিক পাশেই অবস্থিত এই প্রিফেকচারে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি আগস্ট মাসের গড় বৃষ্টিপাতের প্রায় তিনগুণ এবং দেশটিতে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।
এই প্রবল বর্ষণে রেল, বাস ও ট্যাক্সি পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেছে এবং চিবার ২০ হাজারেরও বেশি পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের চিবার গভর্নর তোশিহিতো কুমাগাই বলেন, “জাপানের ঐতিহাসিক আবহাওয়ার মানদণ্ডেও এই ঘটনাটি ছিল অত্যন্ত অস্বাভাবিক। আমি অতীতে অনেক দুর্যোগ মোকাবিলা করেছি, কিন্তু এমন ঘটনার সম্মুখীন আগে কখনো হইনি। আমরা জীবন বাঁচানোকে অগ্রাধিকার দেব এবং উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাব।”
বৃহস্পতিবারের প্রবল বর্ষণের কারণে আবহাওয়া সংস্থা তাদের নির্ধারিত মাত্রার সর্বোচ্চ স্তর, অর্থাৎ লেভেল ৫ জরুরি সতর্কতা জারি করেছিল। তবে শুক্রবার সকালের মধ্যে এই সতর্কতা স্তর ৪-এ নামিয়ে আনা হয়। অবশ্য কর্তৃপক্ষ ভূমিধস, বন্যা এবং নদীর পানি বাড়ার বিষয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়ে চলেছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন