গত একদিনে দেশে ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬০ হাজার কিলোওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে বলে দাবি করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আসিফ শাহরিয়ার ষুশ্মিতের একটি জরিপের বরাত দিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
ফাইজ তাইয়েব আহমেদের পোস্টে বলা হয়, ২০২২ সালের পর থেকে এক দিনে এটাই সর্বোচ্চ লোডশেডিং। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে নজিরবিহীন লোডশেডিং পরিস্থিতি চলছে বলেও দাবি করা হয়। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় চলমান লোডশেডিং ২২ গুণ বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে আসিফ শাহরিয়ার ষুশ্মিত পৃথক এক পোস্টে তার জরিপের পদ্ধতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত পাঁচ বছরের তথ্য তারিখ অনুযায়ী পাশাপাশি রেখে তুলনা করা হয়েছে। অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১২ আগস্টের সঙ্গে ২০২৫, ২০২৪, ২০২৩ ও ২০২২ সালের ১২ আগস্টের তথ্য তুলনা করা হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রাফের প্রতিটি রেখা সংশ্লিষ্ট বছরে নির্দিষ্ট দিনে কত মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা যায়নি, তা দেখায়। এক দিনের অস্বাভাবিক ওঠানামার প্রভাব কমাতে সাত দিনের গড় ব্যবহার করা হয়েছে।
আসিফ শাহরিয়ার ষুশ্মিত আরও দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিং চলছে। তিনি বলেন, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (PGCB) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (BPDB) থেকে প্রকাশ্যে দেওয়া HTML ও PDF তথ্য সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করেই এই হিসাব করা হয়েছে।
ফেসবুক পোস্ট ও ব্যক্তিগত বিশ্লেষণে দেওয়া এসব তথ্যের স্বাধীন সরকারি যাচাই পাওয়া গেলে লোডশেডিংয়ের প্রকৃত পরিস্থিতি আরও নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আসিফ শাহরিয়ার ষুশ্মিতের একটি জরিপের বরাত দিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
ফাইজ তাইয়েব আহমেদের পোস্টে বলা হয়, ২০২২ সালের পর থেকে এক দিনে এটাই সর্বোচ্চ লোডশেডিং। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে নজিরবিহীন লোডশেডিং পরিস্থিতি চলছে বলেও দাবি করা হয়। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় চলমান লোডশেডিং ২২ গুণ বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে আসিফ শাহরিয়ার ষুশ্মিত পৃথক এক পোস্টে তার জরিপের পদ্ধতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত পাঁচ বছরের তথ্য তারিখ অনুযায়ী পাশাপাশি রেখে তুলনা করা হয়েছে। অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১২ আগস্টের সঙ্গে ২০২৫, ২০২৪, ২০২৩ ও ২০২২ সালের ১২ আগস্টের তথ্য তুলনা করা হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রাফের প্রতিটি রেখা সংশ্লিষ্ট বছরে নির্দিষ্ট দিনে কত মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা যায়নি, তা দেখায়। এক দিনের অস্বাভাবিক ওঠানামার প্রভাব কমাতে সাত দিনের গড় ব্যবহার করা হয়েছে।
আসিফ শাহরিয়ার ষুশ্মিত আরও দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিং চলছে। তিনি বলেন, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (PGCB) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (BPDB) থেকে প্রকাশ্যে দেওয়া HTML ও PDF তথ্য সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করেই এই হিসাব করা হয়েছে।
ফেসবুক পোস্ট ও ব্যক্তিগত বিশ্লেষণে দেওয়া এসব তথ্যের স্বাধীন সরকারি যাচাই পাওয়া গেলে লোডশেডিংয়ের প্রকৃত পরিস্থিতি আরও নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে