জাহাজের যান্ত্রিক ত্রুটির তথ্য গোপন করে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশ এবং দুর্ঘটনার কবলে পড়ার দায়ে ‘এমভি সিএনসি ইউরেনাস’ নামের একটি জাহাজকে ১ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাবদ আরও ১৫ লাখ টাকা মিলিয়ে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা বন্দর তহবিলে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের জারি করা এক আদেশে জাহাজের মাস্টার ও শিপিং এজেন্টকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট মাল্টার পতাকাবাহী ‘এমভি সিএনসি ইউরেনাস’ জাহাজটি বার্থিংয়ের উদ্দেশ্যে বন্দরে প্রবেশের সময় ‘আইএসএম কোড’ অনুযায়ী চালকদের (পাইলট) কাছে স্টিয়ারিং গিয়ারের ত্রুটির তথ্য গোপন করে। জাহাজটি চ্যানেলে প্রবেশের ঠিক আগ মুহূর্তে মাস্টার চালকদের যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানান এবং ডিএনভি ক্লাস কর্তৃক ইস্যু করা একটি সার্টিফিকেট হস্তান্তর করেন।
বন্দর কর্তৃপক্ষের আদেশে বলা হয়েছে, জাহাজের ত্রুটি ও এর সীমাবদ্ধতার তথ্য গোপন রেখে জাহাজ পরিচালনা করায় বন্দর, পাইলট, স্থাপনা এবং অন্যান্য নৌযানের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এই খামখেয়ালিপনার কারণেই জাহাজটির মাস্টার ও স্থানীয় শিপিং এজেন্টের বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের চ্যানেলে প্রবেশের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জাহাজটি একটি নেভিগেশন বয়া ও রিটেইনিং ওয়ালে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে জাহাজটি আটকে গেলে সারা রাত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে সেটিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
২০১৭ সালে নির্মিত ১৭০ মিটার দীর্ঘ এই কনটেইনার জাহাজটি গত ২ আগস্ট চীনের শেকৌ বন্দর থেকে ১ হাজার ২৮২ টিইইউএস কনটেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। জাহাজটিতে মাস্টারসহ ২৪ জন নাবিক ছিলেন। বাংলাদেশে জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে এপিএল বাংলাদেশ।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট মাল্টার পতাকাবাহী ‘এমভি সিএনসি ইউরেনাস’ জাহাজটি বার্থিংয়ের উদ্দেশ্যে বন্দরে প্রবেশের সময় ‘আইএসএম কোড’ অনুযায়ী চালকদের (পাইলট) কাছে স্টিয়ারিং গিয়ারের ত্রুটির তথ্য গোপন করে। জাহাজটি চ্যানেলে প্রবেশের ঠিক আগ মুহূর্তে মাস্টার চালকদের যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানান এবং ডিএনভি ক্লাস কর্তৃক ইস্যু করা একটি সার্টিফিকেট হস্তান্তর করেন।
বন্দর কর্তৃপক্ষের আদেশে বলা হয়েছে, জাহাজের ত্রুটি ও এর সীমাবদ্ধতার তথ্য গোপন রেখে জাহাজ পরিচালনা করায় বন্দর, পাইলট, স্থাপনা এবং অন্যান্য নৌযানের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এই খামখেয়ালিপনার কারণেই জাহাজটির মাস্টার ও স্থানীয় শিপিং এজেন্টের বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের চ্যানেলে প্রবেশের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জাহাজটি একটি নেভিগেশন বয়া ও রিটেইনিং ওয়ালে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে জাহাজটি আটকে গেলে সারা রাত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে সেটিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
২০১৭ সালে নির্মিত ১৭০ মিটার দীর্ঘ এই কনটেইনার জাহাজটি গত ২ আগস্ট চীনের শেকৌ বন্দর থেকে ১ হাজার ২৮২ টিইইউএস কনটেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। জাহাজটিতে মাস্টারসহ ২৪ জন নাবিক ছিলেন। বাংলাদেশে জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে এপিএল বাংলাদেশ।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে