মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় দারা প্রদেশের রাজনৈতিক নিরাপত্তাবিষয়ক সাবেক প্রধান আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত।
গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের দায়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দামেস্কের ফৌজদারি আদালত এই রায় ঘোষণা করে।
আদালত সূত্র জানায়, বাশার আল-আসাদকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের’ দায়ে এবং আতেফ নাজিবকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের’ দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
আদালত বলেছেন, ২০১১ সালে দারা প্রদেশে আসাদ সরকারের সংঘটিত অপরাধগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। এই রায় আসাদের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেওয়া প্রথম মৃত্যুদণ্ডের রায়।
এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইসলামপন্থী বিদ্রোহী নেতা আহমেদ আল-শারা (বর্তমান প্রেসিডেন্ট) নেতৃত্বে বিদ্রোহী বাহিনী দামেস্ক দখল করলে আসাদ পরিবারসহ সিরিয়া ছেড়ে রাশিয়ায় পালিয়ে যান। সেখানেই এখনো অবস্থান করছেন তিনি।
বিদ্রোহীদের হাতে ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক শাসকগোষ্ঠীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও বিচার শুরু করে।
আতেফ নাজিব আসাদের চাচাতো ভাই এবং দারা প্রদেশের রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান ছিলেন। দারা ছিল সিরিয়ায় ২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানের সূতিকাগার।
গত বছরের জানুয়ারিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, নাজিব ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা ও নির্যাতনের ফলে মৃত্যুর মতো অপরাধে জড়িত ছিলেন। এসব অপরাধকে আদালত মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দারা প্রদেশের রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান থাকাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ করার দায়েই তাকে এই সাজা দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে সিরিয়ায় গণঅভ্যুত্থান শুরু হলে বাশার আল-আসাদ সরকার তা দমন করতে সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে। দারা শহরেই প্রথম আন্দোলন শুরু হয়, যা পরে পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটায়।
সেই যুদ্ধে প্রায় ৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারান। কোটি কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে আসছিল।
বর্তমানে আসাদ রাশিয়ায় আশ্রয়ে থাকায় এই রায় কার্যকরের সম্ভাবনা নেই। তবে সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকার এই রায়ের মাধ্যমে সাবেক শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া জোরদার করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের দায়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দামেস্কের ফৌজদারি আদালত এই রায় ঘোষণা করে।
আদালত সূত্র জানায়, বাশার আল-আসাদকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের’ দায়ে এবং আতেফ নাজিবকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের’ দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
আদালত বলেছেন, ২০১১ সালে দারা প্রদেশে আসাদ সরকারের সংঘটিত অপরাধগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। এই রায় আসাদের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেওয়া প্রথম মৃত্যুদণ্ডের রায়।
এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইসলামপন্থী বিদ্রোহী নেতা আহমেদ আল-শারা (বর্তমান প্রেসিডেন্ট) নেতৃত্বে বিদ্রোহী বাহিনী দামেস্ক দখল করলে আসাদ পরিবারসহ সিরিয়া ছেড়ে রাশিয়ায় পালিয়ে যান। সেখানেই এখনো অবস্থান করছেন তিনি।
বিদ্রোহীদের হাতে ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক শাসকগোষ্ঠীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও বিচার শুরু করে।
আতেফ নাজিব আসাদের চাচাতো ভাই এবং দারা প্রদেশের রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান ছিলেন। দারা ছিল সিরিয়ায় ২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানের সূতিকাগার।
গত বছরের জানুয়ারিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, নাজিব ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা ও নির্যাতনের ফলে মৃত্যুর মতো অপরাধে জড়িত ছিলেন। এসব অপরাধকে আদালত মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দারা প্রদেশের রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান থাকাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ করার দায়েই তাকে এই সাজা দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে সিরিয়ায় গণঅভ্যুত্থান শুরু হলে বাশার আল-আসাদ সরকার তা দমন করতে সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে। দারা শহরেই প্রথম আন্দোলন শুরু হয়, যা পরে পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটায়।
সেই যুদ্ধে প্রায় ৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারান। কোটি কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে আসছিল।
বর্তমানে আসাদ রাশিয়ায় আশ্রয়ে থাকায় এই রায় কার্যকরের সম্ভাবনা নেই। তবে সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকার এই রায়ের মাধ্যমে সাবেক শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া জোরদার করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে