ভারতের উত্তরাখণ্ডে টানা বৃষ্টিতে নদীর পানি বাড়ার পর প্রবল স্রোতে একটি সেতু ভেসে গেছে। রাজ্যটির চামোলি জেলার নীতি উপত্যকায় কাদা মেশানো পানির প্রবল স্রোত সেতুটিতে আছড়ে পড়ার পর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সেটিকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, প্রবল স্রোতে পাহাড়ি এই রাজ্যের নীতি উপত্যকার ওই সেতুটি ভেসে যাওয়ায় ওই এলাকার সঙ্গে মূল শহরের যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, বিপুল পরিমাণ কাদা মেশানো পানি প্রবল বেগে নিচের দিকে নেমে এসে চামোলি জেলার অন্তর্গত উপত্যকার একটি ধাতব সেতুতে আছড়ে পড়ছে।
পানির ওই তীব্র স্রোতে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সেতুটি উপড়ে যায় এবং পানিতে ভেসে নদীর তীরে চলে যায়। ভিডিওতে আরও দেখা যায়, নদীর পাশের সড়কে থাকা একটি ট্রাক ও একটি এসইউভি সেতু ভেসে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে সেখান থেকে সরে যাচ্ছে।
এছাড়া উপত্যকার নদী ও ছোট ছোট জলধারের তীরে বসবাসকারীদেরও নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে নদী ও জলধারের পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
উত্তরাখণ্ডের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন বিভাগের সচিব বিনোদ কুমার সুমন জানিয়েছেন, গত রোববার রাত থেকে রাজ্যটিতে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। তিনি জানান, দেহরাদুন, বাগেশ্বর, নৈনিতাল ও চম্পাওয়াত এলাকায় বৃষ্টির প্রভাব বেশি।
ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআইকে বিনোদ কুমার বলেন, পুরো রাজ্যেই বৃষ্টি হবে এবং তা অব্যাহত থাকবে। সন্ধ্যার দিকে কিছু সময় বৃষ্টি কমতে পারে। তবে এরপর রাতেও আগের রাতের মতো আবার বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভূমিধসপ্রবণ এলাকাগুলোতে মানুষকে সচেতন করতে কাজ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে কী করণীয়, সে বিষয়েও স্থানীয় বাসিন্দাদের জানানো হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, প্রবল স্রোতে পাহাড়ি এই রাজ্যের নীতি উপত্যকার ওই সেতুটি ভেসে যাওয়ায় ওই এলাকার সঙ্গে মূল শহরের যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, বিপুল পরিমাণ কাদা মেশানো পানি প্রবল বেগে নিচের দিকে নেমে এসে চামোলি জেলার অন্তর্গত উপত্যকার একটি ধাতব সেতুতে আছড়ে পড়ছে।
পানির ওই তীব্র স্রোতে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সেতুটি উপড়ে যায় এবং পানিতে ভেসে নদীর তীরে চলে যায়। ভিডিওতে আরও দেখা যায়, নদীর পাশের সড়কে থাকা একটি ট্রাক ও একটি এসইউভি সেতু ভেসে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে সেখান থেকে সরে যাচ্ছে।
এছাড়া উপত্যকার নদী ও ছোট ছোট জলধারের তীরে বসবাসকারীদেরও নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে নদী ও জলধারের পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
উত্তরাখণ্ডের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন বিভাগের সচিব বিনোদ কুমার সুমন জানিয়েছেন, গত রোববার রাত থেকে রাজ্যটিতে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। তিনি জানান, দেহরাদুন, বাগেশ্বর, নৈনিতাল ও চম্পাওয়াত এলাকায় বৃষ্টির প্রভাব বেশি।
ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআইকে বিনোদ কুমার বলেন, পুরো রাজ্যেই বৃষ্টি হবে এবং তা অব্যাহত থাকবে। সন্ধ্যার দিকে কিছু সময় বৃষ্টি কমতে পারে। তবে এরপর রাতেও আগের রাতের মতো আবার বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভূমিধসপ্রবণ এলাকাগুলোতে মানুষকে সচেতন করতে কাজ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে কী করণীয়, সে বিষয়েও স্থানীয় বাসিন্দাদের জানানো হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন