মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক তারা মিয়ার (১৯) লাশ ৩৬ ঘণ্টা পর হস্তান্তর করেছে বিএসএফ। সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার চাতলাপুর শুল্ক স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় বিএসএফ ও বিজিবির পতাকা বৈঠক শেষে ভারতীয় পুলিশ কুলাউড়া পুলিশের কাছে লাশ হস্তান্তর করে।
তারা মিয়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে। বিকেল ৫টার দিকে লাশ গ্রহণ করেন তারা মিয়ার বড় ভাই রাজু মিয়া।
এ সময় কুলাউড়ার ওসি শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না, ত্রিপুরার ইরানি থানার ইন্সপেক্টর শ্রীকান্ত চক্রবর্তী, বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের আলীনগর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার কাজী নাসিম, বিএসএফের মাগুরউলী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এসি রোহিত, কুলাউড়া থানার এসআই ফরহাদ মাতব্বর এবং কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিলভেস্টার পাঠান উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (৯ আগস্ট) ভোরে কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা কানু মিয়ার ছেলে রেনু মিয়া (৩৬), রইস আলীর ছেলে সুমন মিয়া (১৮) ও রইস আলীর সঙ্গে তারা মিয়া পৃথিমপাশা ইউনিয়নের আলীনগরের শিকরিয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতের মাগুরউলী এলাকায় প্রবেশ করেন। তারা সিগারেট, নাসির বিড়িসহ চোরাইপণ্য আনতে সেখানে প্রবেশ করেছিলেন বলে বিজিবি জানিয়েছে।
এ সময় বিএসএফের টহল দল তাদের গতিরোধের চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তারা মিয়া নিহত হন। পরে তার সঙ্গে থাকা অন্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান।
কুলাউড়া থানার ওসি শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাতলাপুর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পুলিশ সোমবার বিকেলে কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে তারা মিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তারা মিয়ার মা আজিরুন্নেছা বলেন, আমার ছেলে কখনো চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল না। টাকার লোভ দেখিয়ে আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় স্থানীয় সুমনসহ কয়েকজন। তখন বাধা দিলে ছেলে কথা শোনেনি। পরে তারা ভারতে ঢুকে পড়লে বিএসএফ আমার ছেলেকে গুলি করে মেরে ফেলল। আমার বুকটা খালি হই গেল।
৪৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশি তরুণ তারা নিহত হওয়ার ঘটনায় পতাকা বৈঠকে বিএসএফ কর্মকর্তাদের কাছে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি সীমান্ত এলাকায় কিছু উঠতি বয়সী তরুণ-যুবক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। এসব কার্যক্রম বন্ধে বিজিবির পক্ষ থেকে স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল বাড়ানো হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
তারা মিয়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ছেলে। বিকেল ৫টার দিকে লাশ গ্রহণ করেন তারা মিয়ার বড় ভাই রাজু মিয়া।
এ সময় কুলাউড়ার ওসি শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না, ত্রিপুরার ইরানি থানার ইন্সপেক্টর শ্রীকান্ত চক্রবর্তী, বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের আলীনগর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার কাজী নাসিম, বিএসএফের মাগুরউলী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এসি রোহিত, কুলাউড়া থানার এসআই ফরহাদ মাতব্বর এবং কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিলভেস্টার পাঠান উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (৯ আগস্ট) ভোরে কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা কানু মিয়ার ছেলে রেনু মিয়া (৩৬), রইস আলীর ছেলে সুমন মিয়া (১৮) ও রইস আলীর সঙ্গে তারা মিয়া পৃথিমপাশা ইউনিয়নের আলীনগরের শিকরিয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতের মাগুরউলী এলাকায় প্রবেশ করেন। তারা সিগারেট, নাসির বিড়িসহ চোরাইপণ্য আনতে সেখানে প্রবেশ করেছিলেন বলে বিজিবি জানিয়েছে।
এ সময় বিএসএফের টহল দল তাদের গতিরোধের চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তারা মিয়া নিহত হন। পরে তার সঙ্গে থাকা অন্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান।
কুলাউড়া থানার ওসি শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাতলাপুর স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পুলিশ সোমবার বিকেলে কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে তারা মিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তারা মিয়ার মা আজিরুন্নেছা বলেন, আমার ছেলে কখনো চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল না। টাকার লোভ দেখিয়ে আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় স্থানীয় সুমনসহ কয়েকজন। তখন বাধা দিলে ছেলে কথা শোনেনি। পরে তারা ভারতে ঢুকে পড়লে বিএসএফ আমার ছেলেকে গুলি করে মেরে ফেলল। আমার বুকটা খালি হই গেল।
৪৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশি তরুণ তারা নিহত হওয়ার ঘটনায় পতাকা বৈঠকে বিএসএফ কর্মকর্তাদের কাছে কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি সীমান্ত এলাকায় কিছু উঠতি বয়সী তরুণ-যুবক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। এসব কার্যক্রম বন্ধে বিজিবির পক্ষ থেকে স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল বাড়ানো হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে