জামালপুরে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা রডবোঝাই ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় একেএম সামিউল হক (২৭) নামে এক সহকারী জজ নিহত হয়েছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের লাহিড়ীকান্দা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব এ তথ্য জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের ১৭তম ব্যাচের সদস্য এ কে এম সামিউল হক জামালপুর জজ আদালতের সহকারী জজ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নেত্রকোনা সদর উপজেলার সাতপাই ছেটগাড়া গ্রামের এ কে এম ফজলুল হকের ছেলে। এ ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক ইদ্রিস আলী (৪৬) গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাতে ওসি নাজমুস সাকিব জানান, নিহত জজ একেএম ছামিউল হক প্রাইভেটকার করে ঢাকার লালমাটিয়া থেকে তার নিজ কর্মস্থল জামালপুরে ফিরছিলেন। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে লাহিড়ীকান্দা এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেটকারটি দাঁড়িয়ে থাকা রড বোঝাই একটি ট্রাককে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে সহকারী জজ এ কে এম সামিউল হক ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় চালক ইদ্রিস আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় স্থানীয়রা। চালক ইদ্রিস আলী জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় জহুরুল ইসলাম বলেন, রাতে রডবোঝাই ট্রাকটির একটি চাকা ফুটো হয়ে যাওয়ায় চালক ও হেলপার ট্রাকটি সড়কের ওপর রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। প্রাইভেটকারটি ট্রাকটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ওসি নাজমুস সাকিব আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
এদিকে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের ১৭তম ব্যাচের সদস্য ও জামালপুরের সিভিল জজ একেএম সামিউল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
এক শোকবার্তায় আইনমন্ত্রী বলেন, একেএম সামিউল হক ছিলেন বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের একজন মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণ বিচারক। তার অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যু বিচারাঙ্গনের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তার মতো একজন তরুণ ও সম্ভাবনাময় বিচারকের অকালপ্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব এ তথ্য জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের ১৭তম ব্যাচের সদস্য এ কে এম সামিউল হক জামালপুর জজ আদালতের সহকারী জজ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নেত্রকোনা সদর উপজেলার সাতপাই ছেটগাড়া গ্রামের এ কে এম ফজলুল হকের ছেলে। এ ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক ইদ্রিস আলী (৪৬) গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাতে ওসি নাজমুস সাকিব জানান, নিহত জজ একেএম ছামিউল হক প্রাইভেটকার করে ঢাকার লালমাটিয়া থেকে তার নিজ কর্মস্থল জামালপুরে ফিরছিলেন। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে লাহিড়ীকান্দা এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেটকারটি দাঁড়িয়ে থাকা রড বোঝাই একটি ট্রাককে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে সহকারী জজ এ কে এম সামিউল হক ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় চালক ইদ্রিস আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় স্থানীয়রা। চালক ইদ্রিস আলী জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় জহুরুল ইসলাম বলেন, রাতে রডবোঝাই ট্রাকটির একটি চাকা ফুটো হয়ে যাওয়ায় চালক ও হেলপার ট্রাকটি সড়কের ওপর রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। প্রাইভেটকারটি ট্রাকটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ওসি নাজমুস সাকিব আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
এদিকে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের ১৭তম ব্যাচের সদস্য ও জামালপুরের সিভিল জজ একেএম সামিউল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
এক শোকবার্তায় আইনমন্ত্রী বলেন, একেএম সামিউল হক ছিলেন বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের একজন মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণ বিচারক। তার অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যু বিচারাঙ্গনের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তার মতো একজন তরুণ ও সম্ভাবনাময় বিচারকের অকালপ্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে