রংপুর চিড়িয়াখানায় হরিণের সংখ্যায় গরমিল

আপলোড সময় : ১০-০৮-২০২৬ ১২:০২:৫৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১০-০৮-২০২৬ ১২:০২:৫৯ অপরাহ্ন
রংপুর বিনোদন উদ্যান চিড়িয়াখানায় হরিণের সংখ্যার হিসাবে গরমিল ধরা পড়েছে। বিক্রীত এবং মৃত বাদ দিয়ে ৫৮টি হরিণ থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৫৫টি। তিনটি হরিণ কোথায় গেল-এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জানা গেছে, রংপুর চিড়িয়াখানায় থাকা ৫৫টি হরিণকে দুটি বেষ্টনীতে রাখা হয়েছে। গাদাগাদি করে রাখায় হরিণগুলো ঠিকমতো বিচরণ করতে পারছে না। সেই সঙ্গে রয়েছে খাবারসংকট। চলতি অর্থবছরে সরকারনির্ধারিত ৫০ হাজার টাকা করে দুইটি হরিণ চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বিক্রি করে। মারা গেছে একটি। এর আগের বছর ৬২টি হরিণ ছিল। বিক্রি ও মৃত একটি হরিণ বাদ দিলে ৫৮টি থাকার কথা। সেখানে রয়েছে ৫৫টি। অনেকে মনে করছেন, গোপনে তিনটি হরিণ জবাই করে খেয়ে ফেলা হয়েছে। আবার কেউ বলছেন, এই হরিণ অন্যত্র সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে। যাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, তারা এসব হরিণ পালন না করে উদরপূর্তি করেছেন। গত ১০ বছরে আনুমানিক ৪০টি হরিণ বৈধভাবে বিক্রি হয়েছে, এমনটা জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তবে অবৈধভাবে কটি হরিণ এদিক-ওদিক হয়েছে এর কোনো সঠিক তথ্য নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

জানা গেছে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় শুধু হরিণ ও ময়ূর বিক্রির অনুমোদন দিয়ে থাকে। কারণ এই দুটির লালনপালন ও রক্ষণাবেক্ষণ অপেক্ষাকৃত সহজ। আগ্রহী ব্যক্তিদের এসব প্রাণী নারী-পুরুষ জোড়া ধরেই কিনতে হবে। এ ছাড়া বন্য প্রাণী পালতে গেলে বন বিভাগের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। যাদের কাছে সেই অনুমোদন পত্র বা নো অবজেকশন সার্টিফিকেট থাকে, চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ শুধু তাদের কাছেই প্রাণীগুলো বিক্রি করতে পারে। এই প্রাণীগুলো শুধু লালনপালনের জন্য দেওয়া হয়। এ ধরনের প্রাণী কোনো অবস্থাতেই পাচার, শিকার বা খাওয়া যাবে না।

রংপুর চিড়িয়াখানার ভেটেরিনারি সার্জন ডা. এইচ এম শাহাদত বলেন, হরিণের হিসাবে গরমিলের কোনো সুযোগ নেই। খাঁচায় প্রদর্শনের জন্য যে পরিমাণ হরিণ দরকার, তার চেয়ে বেশি হরিণ থাকলেও এ নিয়ে কোনো অনিয়ম হয়নি।

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 


 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :