স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ১১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ আবার ৮০০ বিলিয়ন বা ৮০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ফলে দুই সপ্তাহের কম সময়ে তার সম্পদ ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বেড়েছে। গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) কোম্পানিটির শেয়ারের দাম তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে ১২৯ ডলারে অবস্থান করছিল। খবর ফোর্বস ম্যাগাজিনের।
শেয়ারের এই উত্থানের ফলে শুক্রবার দিন শেষে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮২৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন বা ৮২ হাজার ৩৬০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। এর আগে স্পেসএক্সের শেয়ারে বড় দরপতনের কারণে গত ২৭ জুলাই মাস্কের সম্পদের পরিমাণ ৭০০ বিলিয়ন বা ৭০০ কোটি ডলারের নিচে নেমে যায়।
গত সপ্তাহের শুরুতে ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে স্পেসএক্স। এতে দেখা যায়, এক বছরে ত্রৈমাসিক ব্যয় প্রায় ছয় গুণ বেড়েছে। এ খবরে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম অনেকটা কমে যায়। সর্বশেষ প্রান্তিকে স্পেসএক্সের আয় হয়েছে ৭৮০ কোটি ডলার। যদিও ওয়ালস্ট্রিটের পূর্বাভাস ছিল, আয় হবে ৬৯০ কোটি ডলারের মতো। একই সময়ে কোম্পানিটির নিট লোকসান ১০০ কোটি ডলার থেকে কমে ৫৪ কোটি ১০ লাখ ডলারে নেমেছে।
স্পেসএক্সের আয়ের প্রধান উৎসগুলোর একটি হলো স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্টারলিংকের আয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। সর্বশেষ প্রান্তিকে কোম্পানিটির মূলধনি ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৩০ কোটি ডলার। এর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৫৮০ কোটি ডলার।
গত জুনে স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ইলন মাস্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হন। পরে স্পেসএক্সের শেয়ারে বড় দরপতনের কারণে তার সম্পদ-মূল্য দ্রুত কমে যায়। তিনি স্পেসএক্সের প্রায় ৩৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক। ফলে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ওঠানামার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণও সরাসরি ওঠানামা করে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
শেয়ারের এই উত্থানের ফলে শুক্রবার দিন শেষে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮২৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন বা ৮২ হাজার ৩৬০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। এর আগে স্পেসএক্সের শেয়ারে বড় দরপতনের কারণে গত ২৭ জুলাই মাস্কের সম্পদের পরিমাণ ৭০০ বিলিয়ন বা ৭০০ কোটি ডলারের নিচে নেমে যায়।
গত সপ্তাহের শুরুতে ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে স্পেসএক্স। এতে দেখা যায়, এক বছরে ত্রৈমাসিক ব্যয় প্রায় ছয় গুণ বেড়েছে। এ খবরে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম অনেকটা কমে যায়। সর্বশেষ প্রান্তিকে স্পেসএক্সের আয় হয়েছে ৭৮০ কোটি ডলার। যদিও ওয়ালস্ট্রিটের পূর্বাভাস ছিল, আয় হবে ৬৯০ কোটি ডলারের মতো। একই সময়ে কোম্পানিটির নিট লোকসান ১০০ কোটি ডলার থেকে কমে ৫৪ কোটি ১০ লাখ ডলারে নেমেছে।
স্পেসএক্সের আয়ের প্রধান উৎসগুলোর একটি হলো স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্টারলিংকের আয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। সর্বশেষ প্রান্তিকে কোম্পানিটির মূলধনি ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৩০ কোটি ডলার। এর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৫৮০ কোটি ডলার।
গত জুনে স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ইলন মাস্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হন। পরে স্পেসএক্সের শেয়ারে বড় দরপতনের কারণে তার সম্পদ-মূল্য দ্রুত কমে যায়। তিনি স্পেসএক্সের প্রায় ৩৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক। ফলে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ওঠানামার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণও সরাসরি ওঠানামা করে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে