ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলচরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হককে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রোববার (৯ আগস্ট) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে হস্তান্তর করা হয় সিআইডির কাছে।
ডনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সিআইডি ঢাকা মেট্রোর (পশ্চিম) বিশেষ পুলিশ সুপার গোলাম বেনজির। তিনি বলেন, ‘আমরা ডনকে এনেছি। এই বিষয় বিস্তারিত পরে জানাব।’
সিআইডি জানিয়েছে, ডন সৌদি আরবে ওমরা হজ করতে যাচ্ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর হত্যা মামলা করেন। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান সালমান শাহ। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তে কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি দীর্ঘদিন। পরে সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।
নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ঢালিউডে অভিষেক হয় সালমান শাহর। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে বরাবরই দাবি করে এসেছে তার পরিবার। মা নীলা চৌধুরীর অভিযোগ ছিল, হত্যা মামলা করতে গেলে পুলিশ তা অপমৃত্যুর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে। যদিও পুলিশের ভাষ্য ছিল, তদন্তে হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ মিললে মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।
মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্রজীবনে ২৭টি ছবিতে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন সালমান শাহ। দর্শক ও সমালোচকদের কাছে তিনি ছিলেন উজ্জ্বল এক নক্ষত্র।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
ডনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সিআইডি ঢাকা মেট্রোর (পশ্চিম) বিশেষ পুলিশ সুপার গোলাম বেনজির। তিনি বলেন, ‘আমরা ডনকে এনেছি। এই বিষয় বিস্তারিত পরে জানাব।’
সিআইডি জানিয়েছে, ডন সৌদি আরবে ওমরা হজ করতে যাচ্ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর হত্যা মামলা করেন। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকেও আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান সালমান শাহ। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তে কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি দীর্ঘদিন। পরে সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।
নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ঢালিউডে অভিষেক হয় সালমান শাহর। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে বরাবরই দাবি করে এসেছে তার পরিবার। মা নীলা চৌধুরীর অভিযোগ ছিল, হত্যা মামলা করতে গেলে পুলিশ তা অপমৃত্যুর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে। যদিও পুলিশের ভাষ্য ছিল, তদন্তে হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ মিললে মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।
মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্রজীবনে ২৭টি ছবিতে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন সালমান শাহ। দর্শক ও সমালোচকদের কাছে তিনি ছিলেন উজ্জ্বল এক নক্ষত্র।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে