সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। জমিতে মালচিং পেপার, জৈব সার, মাটির গুণাগুণ পরীক্ষা করে পরিমাণমতো রাসায়নিক সার ব্যবহার- এমনকি লতাজাতীয় সবজি চাষের জন্য মাচা তৈরিতে নেট ও কটন সুতার ব্যবহারও করা হচ্ছে।
লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, আধুনিক পদ্ধতিতে সবজি চাষাবাদ শুরু করেছেন কৃষকেরা। মূলত অতিবৃষ্টি ও রোদের কারণে যখন সবজি উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়, ঠিক তখনই কৃষকরা এ পদ্ধতি অবলম্বন করছেন। এছাড়াও জমিতে সার প্রয়োগ ও কীটনাশক স্প্রে যেন সহজে করা যায়, সে দিক থেকেও এ পদ্ধতি বেশ সাড়া ফেলেছে। জমিতে এই পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন করলে সেচ দিতে সুবিধা হয়, অতিরিক্ত সার প্রয়োগ করতে হয় না এবং ফলনও বেশি হয়; যার ফলে কৃষকের লোকসানের সম্ভাবনা কম থাকে।
জেলার আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী এলাকার কৃষক হাসেন আলী জানান, অতিবৃষ্টি ও প্রখর রোদের কারণে তারা লাভজনকভাবে সবজি উৎপাদন করতে পারেন না। কিন্তু জমিতে মালচিং পেপার ব্যবহার করে ফসল উৎপাদন করলে তা রোদ ও বৃষ্টিসহনশীল হবে, সেচ সুবিধা ভালো হবে এবং ফলনও ভালো হবে।
দারোগার বাজার এলাকার কৃষক দীন ইসলাম জানান, মালচিং পেপার ব্যবহার করে আধুনিক পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন করলে খরচ কম হয় ও উৎপাদন ভালো হয়। কৃষি বিভাগ বাজারে মানসম্মত বীজ ও কীটনাশকের সরবরাহ নিশ্চিত করলে এ পদ্ধতিতে ফসল ফলিয়ে কৃষক লাভবান হবেন।
আদিতমারী উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের কৃষি উদ্যোক্তা আব্দুল আহাদ বলেন, সাধারণ পদ্ধতির চেয়ে মালচিং পেপার ব্যবহার করে আধুনিক পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন করা অনেক সহজ। এ পদ্ধতিতে শ্রমিক খরচসহ অন্যান্য ব্যয় কম হয় এবং অতিমাত্রার রোদ-বৃষ্টির কারণে সহজে ফসল নষ্ট হয় না।
লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সাইখুল আরেফিন বলেন, কৃষিতে মালচিং ব্যবহার একটি ভালো দিক। এ পদ্ধতিতে সবজি চাষ করলে ফসলের রোগবালাই কম হয়, জমিতে দেওয়া সার নষ্ট হয় না এবং ভালো ফলন আশা করা যায়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, আধুনিক পদ্ধতিতে সবজি চাষাবাদ শুরু করেছেন কৃষকেরা। মূলত অতিবৃষ্টি ও রোদের কারণে যখন সবজি উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়, ঠিক তখনই কৃষকরা এ পদ্ধতি অবলম্বন করছেন। এছাড়াও জমিতে সার প্রয়োগ ও কীটনাশক স্প্রে যেন সহজে করা যায়, সে দিক থেকেও এ পদ্ধতি বেশ সাড়া ফেলেছে। জমিতে এই পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন করলে সেচ দিতে সুবিধা হয়, অতিরিক্ত সার প্রয়োগ করতে হয় না এবং ফলনও বেশি হয়; যার ফলে কৃষকের লোকসানের সম্ভাবনা কম থাকে।
জেলার আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী এলাকার কৃষক হাসেন আলী জানান, অতিবৃষ্টি ও প্রখর রোদের কারণে তারা লাভজনকভাবে সবজি উৎপাদন করতে পারেন না। কিন্তু জমিতে মালচিং পেপার ব্যবহার করে ফসল উৎপাদন করলে তা রোদ ও বৃষ্টিসহনশীল হবে, সেচ সুবিধা ভালো হবে এবং ফলনও ভালো হবে।
দারোগার বাজার এলাকার কৃষক দীন ইসলাম জানান, মালচিং পেপার ব্যবহার করে আধুনিক পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন করলে খরচ কম হয় ও উৎপাদন ভালো হয়। কৃষি বিভাগ বাজারে মানসম্মত বীজ ও কীটনাশকের সরবরাহ নিশ্চিত করলে এ পদ্ধতিতে ফসল ফলিয়ে কৃষক লাভবান হবেন।
আদিতমারী উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের কৃষি উদ্যোক্তা আব্দুল আহাদ বলেন, সাধারণ পদ্ধতির চেয়ে মালচিং পেপার ব্যবহার করে আধুনিক পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন করা অনেক সহজ। এ পদ্ধতিতে শ্রমিক খরচসহ অন্যান্য ব্যয় কম হয় এবং অতিমাত্রার রোদ-বৃষ্টির কারণে সহজে ফসল নষ্ট হয় না।
লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সাইখুল আরেফিন বলেন, কৃষিতে মালচিং ব্যবহার একটি ভালো দিক। এ পদ্ধতিতে সবজি চাষ করলে ফসলের রোগবালাই কম হয়, জমিতে দেওয়া সার নষ্ট হয় না এবং ভালো ফলন আশা করা যায়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন