​দুই সপ্তাহ পর আংশিক চালু মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু

আপলোড সময় : ০৬-০৮-২০২৬ ০৩:৫৫:৪০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৬-০৮-২০২৬ ০৩:৫৫:৪০ অপরাহ্ন
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনাল থেকে আবার জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোর থেকে সীমিত পরিসরে সরবরাহ চালু হওয়ায় গ্যাস সংকট কিছুটা কমার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর ৩টা ১০ মিনিট থেকে টার্মিনালটি দৈনিক ১১ কোটি ৫০ লাখ (১১৫ মিলিয়ন) ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে। এর ফলে আমদানি করা এলএনজি থেকে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ৬৬ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, টার্মিনালটির কার্যক্রম ধাপে ধাপে স্বাভাবিক করা হচ্ছে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে এর সরবরাহ সক্ষমতা আরও বাড়তে পারে। এ সময় পর্যাপ্ত এলএনজি কার্গো পাওয়া গেলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের সংকট লাঘবে সহায়ক হবে

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এলএনজি বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে টার্মিনালের একটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। সীমিত আকারে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে তা বাড়ানো হবে।

গত ২১ জুলাই মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে এর কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয়। আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে আসায় দেশজুড়ে গ্যাসের চাপ কমে যায় এবং সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন আবাসিক গ্রাহক, শিল্প উদ্যোক্তা ও সিএনজি ব্যবহারকারীরা। পাশাপাশি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিংও বেড়ে যায়।

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে সরবরাহ হয় প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসে প্রায় ১৬০ থেকে ১৬৫ কোটি ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে আসে ১০০ থেকে ১১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। টার্মিনালটি সচল হওয়ায় সেই ঘাটতি ধীরে ধীরে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :